কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বুধবার, জুন ১৬, ২০২১

ঢাকা : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসবে। কিন্তু অন্য টিকা কবে আসবে তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন। আলোচনা চলছে। আজ বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

জাহিদ মালেক বলেন, গ্যাভি কোভ্যাক্সের অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিন আগামী আগস্টেই আরও ১০ লাখ ডোজ দেশে আসবে। এর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও ভ্যাকসিন ক্রয়-সংক্রান্ত আলোচনার যথেষ্ট অগ্রগতি এসেছে। চীনের সঙ্গে আমাদের দেশের পক্ষ থেকে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। চীন থেকে ফিরতি জবাব এলেই পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চীনের সিনোফার্মের টিকা পেতে সব ধরনের কাগজপত্র সেখানে পাঠানো হয়েছে, তবে তারা এখনো আমাদের কোনো কিছু জানায়নি।’ তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার সঙ্গেও আমাদের টিকা পাওয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাদের থেকে টিকা পাওয়ার ব্যাপারে দুই একদিনের মধ্যে ভালো খবর আসতে পারে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিটের সঙ্গেও নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। তবে তারা টিকা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো আপডেট জানায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘চীনের সঙ্গে দেশের পক্ষ থেকে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। চীন থেকে ফিরতি জবাব এলেই পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে। ইতোমধ্যেই চীনের উপহারের নতুন ৬ লাখ ভ্যাকসিনসহ বর্তমানে মজুত ১১ লাখ ভ্যাকসিন থেকে অন্তত ৫ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। এই ৫ লাখ মানুষ ১ম ও ২য় ডোজ গ্রহণ করবেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডেল্টা ভেরিয়েন্ট সীমান্ত এলাকাসহ নোয়াখালী এবং মানিকগঞ্জে পর্যন্ত চলে আসছে। অর্থাৎ ঢাকার কাছাকাছি চলে আসছে। এখন সাবধান না থাকলে বিপদ হবে। করোনা সংক্রমণ বেশি। এসব এলাকার আম ব্যবসায়ীদের জন্য সংক্রমণ বাড়তে পারে। যেখানে বাড়ছে সেখানেই লকডাউন দেওয়া হচ্ছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিশ্বের উৎপাদনশীল দেশগুলোতে টিকার সুষম বণ্টন নেই। চীনের টিকা পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছি। আমাদের হাতে ১১ লাখ টিকা আছে। এগুলো ১৯ তারিখ থেকে ৫ লাখ লোককে দেয়া হবে। দ্বিতীয় ডোজ হাতে রেখেই তাদের ৫ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। ১১ লাখ টিকা সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীসহ বিদেশগামী যাত্রীদের, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশে টিকা উৎপাদনের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানেও চেষ্টা চলছে।’