জাপান-মালদ্বীপে যাত্রী-পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

বৃহস্পতিবার, মে ১৩, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের নানা প্রান্তে করোনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বাইরের দেশের যাত্রী ও উড়োজাহাজ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে বিভিন্ন দেশ। এবার সে পথে হাঁটল এশিয়ার দুই দেশ জাপান ও মালদ্বীপ।

বুধবার (১২ এপ্রিল) এক বার্তায় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, করোনা সংক্রমণের জেরে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ ১৫২ টি দেশ থেকে উড়োজাহাজের ফ্লাইট প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

বার্তায় আরো বলা হয়েছে, তালিকায় থাকা এই দেশগুলোর যেসব নাগরিকদের জাপানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি এবং ওয়ার্ক পারমিট আছে, তাদের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে ওই দেশগুলোতে বসবাসরত জাপানি নাগরিকদের এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি জাপানে সংক্রমণ বৃদ্ধি ও করোনাভাইরাসের একাধিক ধরন শনাক্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধ্য হয়েছে সরকার।

একই দিন দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটনভিত্তিক অর্থনীতির দেশ মালদ্বিপ তার প্রতিবেশী সাতটি দেশের ভ্রমণকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

বুধবার মালদ্বীপের অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলংকার পর্যটকদের মালদ্বিপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো।

এই দেশগুলোর পর্যটকরা তো বটেই, এমনকি অন্যান্য দেশের যেসব পর্যটক সম্প্রতি এই সাতটি দেশের কোনো একটিতে অবস্থান করেছেন, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী তারাও আপাতত প্রবেশ করতে পারবেন না মালদ্বীপে।

জাপান-মালদ্বীপের আগে এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দুই দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালের যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞ দিয়েছিল।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে করোন সংক্রমণ প্রতিরোধে ভালো অবস্থানে আছে জাপান ও মালদ্বীপ। টিকার সরঞ্জামের জটিলতার কারণে সম্প্রতি জাপানে গণটিকাদান কর্মসূচি কিছুটা ধীর গতিতে চলছে, তবে মালদ্বীপ বেশ সফলভাবেই দেশের প্রাপ্তবয়স্ক সব নাগরিককে টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।