মুনিয়া ইস্যুতে যা বললেন শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী মীম

শুক্রবার, এপ্রিল ৩০, ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদন: চট্টগ্রামে ব্যাংকার আকতার মোর্শেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে তার পরিবারের পক্ষের অভিযোগ এবং গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো। তারমধ্যেই গুলশানের বিলাসবহুল ফ্ল্য্যাটে বসবাসকারী কলেজ ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্বার হলো। ব্যাংকার মোর্শেদ চৌধুরীর আত্মহত্যায় হুইপ পুত্র শারুন চোধুরীকে দায়ী করা হচ্ছিলো। গুলশানে মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচনায় বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রæপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এর নাম উঠে এসেছে। তাকে এ মামলায় আসামীও করা হয়েছে। কিন্তু মুনিয়ার ঘটনায় শুরুতেই পুলিশ শারুন চৌধুরীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বলা হয়েছে, তথ্য সংগ্রহের জন্য তাকে ডাকা হয়েছে। যেহেতু, শারুন চৌধুরীর সঙ্গেও মুনিয়ার যোগাযোগ ছিলো বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া শারুন চৌধুরী দাবি করেছেন, তার স্ত্রী মীমকেও সায়েম সোবহান আনভীর বিয়ের নাম করে ভাগিয়ে এনেছেন। ঘটনাগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক তোলপাড় চলছে।

আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মুখ খুললেন হুইপ পুত্র শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী মীম। তিনি বলেন, “কথাগুলো এভাবে বলতে চাইনি। ভেবেছিলাম এই সময়টাতে নিশ্চুপ থাকবো। কিন্তু আর চুপ থাকতে পারছি না”- ঠিক এমন করেই মুখ খুললেন হুইপ পুত্র নাজমুল হক চৌধুরী শারুনের সাবেক স্ত্রী সাফিয়া রহমান মীম।
নিজের উপর লাগামহীনভাবে চলা নির্যাতনের কথা তুলে ধরে হুইপ পুত্রের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমারও আত্মহত্যার উপক্রম হয়েছিল। দিনের পর দিন এমনভাবে শারুণ আমাকে নির্যাতন করেছে, আমিও আত্মহত্যা করতে পারতাম। শুধু আমার সন্তানের কথা ভেবে সব সহ্য করেছি।
মীম বলেন, “শারুন সংবাদমাধ্যমকে আমার চরিত্র নিয়ে যে কথাগুলো বলেছে, তার সবই মিথ্যাচার। ”

মীম জানান, ২০১৩ এর ২৩ সেপ্টেম্বর শারুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এর পরের বছর ২০১৪ এর ২৪ জুন তাদের একমাত্র সন্তান, কন্যা সাইশা করিম চৌধুরীর জন্ম।
অতঃপর শারুন চৌধুরী কর্তৃক উপর্যুপরি মানসিক শারীরিক নির্যাতন, বিচ্ছেদে থাকা এবং শেষ পর্যন্ত সংসার টিকিয়ে রাখতে না পারা, একমাত্র শিশু সন্তানকে আটকে রাখা, মৃত্যু হুমকি এবং আত্মহত্যা করার মতো অবস্থা তৈরীর হুংকার দেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ তুলে ধরেন মীম।
কলেজ শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ বাসা থেকে উদ্বারের ঘটনার পর ইতিপূর্বে ওই শিক্ষার্থীর সাথে শারুনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এর স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়।
সে প্রসঙ্গে শারুনের প্রাক্তন স্ত্রী মীম বলেন, শারুন-মুনিয়ার সেই চ্যাট এ আমার চরিত্র নিয়ে শারুনের মন্তব্য আমি দেখেছি, তাতে আমি বিস্মিত হইনি। কারণ তার আচরণেই তার রুচিবোধ সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে একথা আমি স্পষ্ট করে বলতে পারি, আমার চরিত্র যদি খারাপ হতো, তাহলে তাকে(শারুনকে) অনেক আগেই ছেড়ে চলে আসতাম। এত নির্যাতন সহ্য করেও ওই সংসার টিকিয়ে রাখতে চাইতাম না। বিয়ের পর থেকেই টানা ৬ বছর আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছি। মীম জানালেন, শারুন সংবাদমাধ্যমকে আমার চরিত্র নিয়ে ডাহা মিথ্যা কথা বলছেন। সে আমাকে নির্যাতন করছিল মা-বাবার সামনেই। আমার প্রতি নির্যাতনের কথা ওই বাড়ির আত্মীয়-স্বজন প্রায় সবাই জানতেন। পটিয়ায় ওদের গ্রামের বাড়ির সবাই জেনেছিলেন।

শেষ যেবার ওই গ্রামের বাড়িতে আমি কোরবানির ঈদ করি, তার ঠিক আগেই শারুন মেরে আমার মুখ থেঁতলে দিয়েছিল। আমি সেই অবস্থাতেই ঢাকার বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি যাই। আশেপাশের প্রতিবেশীরা তখন জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার ‘মুখের এ অবস্থা কেন ?’ আমি তাদের পরিষ্কার করে জানিয়ে দিই যে, আপনারা শারুনকে জিজ্ঞেস করেন।

মীম বলেন, ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। বুঝিনি শারুন এত বদরাগী। তার ভয়াবহ নির্যাতনের অনেক তথ্য প্রমাণ আমার কাছে আছে। সময় হলেই সব প্রকাশ করব।
‘দিনের-পর-দিন নির্যাতনের পরেও আমি সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম । আমার কন্যার ভবিষ্যতের কথা ভেবেছিলাম।’ জানান মীম।
মীম বলেন, “বিয়ের পর থেকেই শারুণ আমাকে নির্যাতন করতো। শুধু আমাকে নির্যাতনই করেনি, আমার শিশুসন্তানকে আমার কাছ থেকে দিনের-পর-দিন দূরে রেখেছে, আটকে রেখেছে। এমনকি মোবাইল ফোনে কথাও বলতে দেয়নি। ”

মীম বলেন, শারুণ এখন মিথ্যাচার করে বলে, আমাকে নাকি ডিভোর্স দিয়েছিল। আসল সত্য হলো, আমিই তাকে ডিভোর্স দিয়েছিলাম।’

শারুনের এই সাবেক স্ত্রী আরও বলেন, ‘গত প্রায় একবছর নানা অনুনয়-বিনয় করার পরেও আমার ছয় বছর বয়সী একমাত্র সন্তান সাইশার সাথে আমাকে এক মিনিটের জন্য দেখা করতে দেননি শারুন। উল্টো আমার মেয়েকে দিনের পর দিন আমার বিরুদ্ধে বুঝানো হচ্ছে। ওকে(মেয়েকে) মানসিকভাবে ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে। আমার প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে। তার (শারুনের) মা বোন ও আত্মীয়রা আমার মেয়েকে আমার চরিত্র নিয়ে পর্যন্ত ভুল বুঝাতে শুরু করেছেন। আমি নিয়মিত যোগাযোগের জন্য আমার বেবিকে আইপ্যাড কিনে দিয়েছিলাম। ওরা সেটি লক করে রেখেছে। আমি মোবাইল ফোনে একটু কথা বলতে চাইলেও বলতে দেয়নি।আমার মেয়েকে ওরা নানাভাবে টর্চার করেছে। আমার মেয়েকে কীভাবে যে ওরা টর্চার করেছে, তার প্রমাণও আমার হাতে আছে।’

মীম বলেন, গত প্রায় একবছর আমার মেয়ের সাথে কোন যোগাযোগ করতে না দিলেও কলেজ শিক্ষার্থী মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনার পরে চ্যাট এর স্ক্রিনশট ভাইরাল হলে আকস্মিকভাবে আমাকে একটু করে কথা বলতে দেয় শারুণ। এতে খানিকটা বিস্মিত হয়েছি। তবে কথা বলে বুঝলাম, আমার বাচ্চাকে ওরা দিনের পর দিন ভুল বুঝিয়েছে। আমার বেবিটা কিছু বলার আগেই পাশ থেকে শারুণ কথা বলছে। ওকে (মেয়েকে) থামিয়ে দিচ্ছে। ওকে স্বাভাবিক পরিবেশে আমার সাথে কথা বলার সুযোগটুকুও দেওয়া হচ্ছেনা।
বুধবার রাতে এমন সব তথ্য দেন শারুণের সাবেক এই স্ত্রী। ওই দিন সকাল থেকেই কলেজ ছাত্রীর সাথে শারুন এর আলোচিত সেই সব স্ক্রিনশট ভাইরাল হতে থাকে। শারুনের সাবেক স্ত্রী জানান, সোমবার রাত পর্যন্ত শিশু কন্যার সাথে কথা বলতে দেয়া হচ্ছিল না। ঠিক ওইদিন’ই ওই ছাত্রীর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। মীম জানান, শারুনের সাথে মুনিয়ার আগের যোগাযোগ ছিল বলেই বুধবার আমার সাথে ফোনে কথা বলতেই ওই মেয়েটির (মুনিয়ার) প্রসঙ্গ তুলে আনে ।

এক বছর আগের পরিচয়- আলাপচারিতা পুরনো প্রসঙ্গ টেনে এনে বিষয়টি তুলতে চাইলে শারুণকে আমি স্পষ্ট বলে দিই যে, আমার এখন ওসব শোনার টাইম নাই। মেয়েকে দাও, মেয়ের সাথে কথা বলতে চাই। তিনি বলেন, ভাইরাল হওয়া চ্যাট এর স্ক্রিনশটে আমার চরিত্র নিয়ে ওদের(শারুণ ও মুনিয়া)র কথাবার্তার বিষয়টি আমি বুধবার জানতে চেয়েছিলাম। ‘

এ প্রসঙ্গ বিশদ জানতে চাইলে হুইপ পুত্রের সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম জানান, আমি তাকে(শারুনকে) প্রশ্ন করেছিলাম, ওই চ্যাটে আমাকে ‘ক্যারেক্টার ল্যাস’ কেন বললে? বলতে পারলে কীভাবে?
উত্তরে শারুণ দাবি করে, ওসব চ্যাটের স্ক্রিনশট ভুয়া।
এমন দাবি করে শারুন আরো জানায়, মুনিয়ার সাথে হোয়াটসঅ্যাপে কোন চ্যাট হয়নি, তবে মেসেঞ্জারে চ্যাট হত, কথা হত। শারুন- মুনিয়ার চ্যাট ভাইরাল হওয়ার পর কোন কোন সংবাদমাধ্যমকেও শারুন এই চ্যাট ‘ভুয়া ‘ বলে দাবি করেন। মীম জানান, ” শারুনের সাথে আরও অন্তত এক বছর আগে থেকেই মুনিয়ার যোগাযোগ ছিল। এ বিষয়টি আমিও জানতাম। শারুণ নিজেই তখন মুনিয়ার সাথে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমার কাছে স্বীকার করেছিল।”

অনেকের মত মীমেরও ধারণা, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এ কী হয়েছিল না হয়েছিল তা অস্বীকার করলেও মেসেঞ্জারে কী কথা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখলে আরো অনেক কিছু পরিষ্কার হতে পারে।

ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটে কথোপকথন কত তারিখের, তা স্পষ্ট নয়। সময় বিকেল পাঁচটা বাজার কিছু আগে। খুদে বার্তার ওই কথোপকথনে মোসারাত মুনিয়া শারুনকে লেখেন, তিনি ভালো নেই। এরপর লেখেন, উনি তো আমাকে বিয়ে করবে না। কী করব আমি? জবাবে শারুন লেখেন, আগেই বলেছিলাম, ওর কথা শুইনো না। ও আমার বউকে বলছে বিয়ে করবে, কিন্তু করে নাই। মাঝখানে আমার মেয়েটা মা ছাড়া হয়ে গেছে। যদিও আমার বউ একটা খারাপ চরিত্রের মেয়ে।

তবে এ বার্তা আলাপে কোথাও আনভীরের নাম উল্লেখ করেননি কেউ। ধারণা করা হচ্ছে, কথোপকথনটির সত্যতা রয়েছে। মীম জানান, শারুন আমাকে বলেছিল, আমার নামে কোন খারাপ কথা বলেনি কোথাও। অথচ সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একের মিথ্যে বলে যাচ্ছে যাচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে (ফেসবুকে) নিজেই কিছুদিন আগে ও( শারুন) লিখেছে যে, দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মেয়েকে ওদের কাছে রাখবে। আসলে এমন কোন সমঝোতা’ই হয়নি। এটা ডাহা মিথ্যে কথা লিখেছে। এত কিছুর পরেও আমি তাদের সাথে কোনদিন বড় গলায় কথা বলিনি।

ওরা আমার সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলে বেড়ায়। বাচ্চাকে রেখে দিয়ে শারুন বলে ‘কান টান দিলে নাকি মাথা আসে‘। মেয়েটাকে পুঁজি করে আমাকে মানসিক চাপ দেয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের এক সংবাদ মাধ্যমে দেখলাম, বলা নেই কওয়া নেই, কোন প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্টের ভেতর মন্তব্য করতে গিয়ে শারুন হঠাৎ করে আমার মেয়েকে আমার কাছে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করে। অথচ সামাজিক মাধ্যমে (ফেসবুকে) নিজেই কিছুদিন আগে ও( শারুন) লিখেছে যে, দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মেয়েকে ওদের কাছে রাখবে। আসলে এমন কোন সমঝোতা’ই হয়নি। এটা ডাহা মিথ্যে কথা লিখেছে। এত কিছুর পরেও আমি তাদের সাথে কোনদিন বড় গলায় কথা বলিনি।

মীম জানান, শারুণ নিজেকে লন্ডনে ল’ পাস করেছে বলে দাবি করলেও তার কনভোকেশনের কোনো ছবি নেই। তার কোন সার্টিফিকেট বা ওই পাশের স্বপক্ষে কোন ছবি কাগজপত্র কোনদিন দেখাতে পারেনি । মীম জানান, ২৫ লাখ টাকার সেই কাবিন এর টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার উসুল দেখানো হয়। বাকি টাকাটার এক টাকাও দেন নি এখনও। আমার বিয়ের কাবিন ২৫ লাখ টাকা হলেও ওর যেই বোনটির বিয়ে হয়েছিল সেই বোনের জামাইকে ওরা মিথ্যে কথা বলে বলেছিল যে, আমার কাবিন হয়েছে ১ কোটি টাকা। ডাহা মিথ্যে কথা বলে ওই বোনের জামাই এর কাবিন ধরে ছিল এক কোটি টাকা।

ওর পুরোটাই মিথ্যাচারে ভরা। ওরা এত মিথ্যা কথা বলে আর বড় গলা করে কথা বলে যেন ‘চোরের মায়ের বড় গলা’। ওদের অন্তত ১০০এর বেশি ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল আছে।’
মীম তার বিরুদ্ধে শারুনের অভিযোগ, বিশেষ করে সংসার ভাঙ্গার এক বছর আগে থেকেই বসুন্ধরা গ্রপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর এর সাথে সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ডিভোর্সের পর আমার ক্যারেক্টার নিয়ে এত কথা কেন ? শারুন এমন অভিযোগ করেই অপরাধ থেকে মুক্তি পেতে চায়। এখন ও আমাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। তাদেরকে (বসুন্ধরাকে) তো গুলি করতে পারবে না। আমাকে অস্ত্র করে, আমাকেই পুঁজি করে পার পেতে চায়।

এর কারণ হিসেবে মীম বলেন, কখনো আনভীর, কখনো হাজী সেলিমের পুত্রকে জড়িয়ে আমাকে অপবাদ দিয়েছে শারুন। ডিভোর্সের প্রায় এক বছর আগে থেকেই আমি বাবার বাড়িতে ছিলাম। ওর অত্যাচারে সংসার যখন টিকছে না, ডিভোর্স যখন হয়ে গেছে, তখন আমি কার সাথে প্রেম করি, কার সাথে সম্পর্ক রাখি, কার সাথে বা কাকে বিয়ে করি বা করব, সেটি তো আমার ব্যক্তিগত বিষয়। সে সব নিয়ে আমার প্রাক্তন স্বামীর বলার কিছু নেই। শারুন যদি আনভির এর সাথে আমার যোগাযোগ বা সম্পর্ক নিয়েই আমার দোষ খুঁজতে যায়, তাহলে বলতে হয়, হাজী সেলিমের পুত্রের সাথে জড়িয়ে কেন আমাকে দোষারোপ করেছিল ?
মীম বলেন, কারো সাথে যোগাযোগ থাকাটা দোষের কিছু নয়। ‘
তিনি জানান, ‘মুনিয়ার সাথে আমারও যোগাযোগ হয়েছিল’।