‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ শেষে যা যা বন্ধ রাখার পরামর্শ

শুক্রবার, এপ্রিল ২৩, ২০২১

ঢাকা : করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ শেষ হলেই এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ সহসাই কমছে না। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। তাই ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ শেষ হলে সরকার ও জনসাধারণের করণীয় কী সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। চলমান সর্বাত্মক লকডাউন চলবে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে লকডাউন শেষে গণপরিবহন বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সভায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ পরামর্শ দেন।

এছাড়া করোনার সংক্রমণ রোধে লকডাউন শেষে গণপরিবহনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট, সমুদ্রসৈকত বন্ধ রাখা এবং গণজমায়েতের অনুমতি না দিতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সভায় ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ সময় বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা না হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি), পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই কমিটির সদস্য।

সারাদেশে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া এ সর্বাত্মক ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২১ এপ্রিল। তার আগেই রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভায় ‘কঠোর লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। এরপরই চলমার ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।