ভণ্ডদের পক্ষে বিবৃতিদাতারাও সেই পর্যায়ে পড়ে: তথ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২২, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: ভণ্ড ও মিথ্যাবাদীদের পক্ষে যারা বিবৃতি দেয়, তারাও সেই পর্যায়েই পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের বাসভবন থেকে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির ‘আমাদের পৃথিবী পুণরুদ্ধার: বাংলাদেশ দৃষ্টিকোণ ও ভবিষ্যৎ পথযাত্রা’ শীর্ষক ওয়েবিনার শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হেফাজতে ইসলামের নেতাদের মুক্তির দাবিতে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হেফাজত নেতারা যে নষ্ট এবং ভণ্ড, সেটি আজ প্রমাণিত। কারণ মামুনুলের অনৈতিক, অনৈসলামি কাণ্ডকে তারা যেভাবে তড়িঘড়ি করে বসে ইসলামের আলোকে বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, নাউজুবিল্লাহ, সেটিই তার প্রমাণ।

‘একই সঙ্গে তাদের নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম সারাদেশে তাণ্ডব চালিয়েছে, নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি-সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে, ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পুড়িয়েছে, ফায়ার-রেল-পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়েছে, মহাসড়কের ওপর দেয়াল তুলে দিয়েছে এবং এগুলো করে আবার তা অস্বীকার করেছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সূর্য পূর্বদিকে ওঠে তা যেমন সত্য, হেফাজত যে এসব করেছে, সেই দিবালোকের মতো সত্যকেও তারা অস্বীকার করেছে। সুতরাং এই মিথ্যাবাদী, নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বের পক্ষ নিয়ে যারা বিবৃতি দেয়, তারাও সেই পর্যায়েই পড়ে।

সাংবাদিকরা এ সময় করোনাকালে আওয়ামী লীগের মানুষের পাশে থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করলে দলের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গত একবছর ধরে করোনাকালে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে আছে এবং থাকবে। দলের পক্ষ থেকে প্রথম দফায় ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং কোটি কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের প্রায় একশ দশজন এমপি করোনায় আক্রান্ত, পাঁচজন মারা গেছেন, কয়েকজন উপদেষ্টাসহ তিনজন প্রেসিডিয়াম সদস্যের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। এই আক্রান্ত ও মৃত্যুর কারণ আওয়ামী লীগ নেতারা করোনাকালে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর এখন তারা কৃষকের ধান কেটে গোলায় তুলে দিচ্ছেন।

অপরদিকে যারা বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে নীতিকথা বলেন, তাদের তো দূরবীণ দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মানুষের জন্য কিছু করবেন এমন কথা বলে বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ আনা, কয়েকজন দরিদ্রকে ডেকে ত্রাণ দেওয়ার ছবি বিদেশে পাঠানোই তাদের কাজ, যোগ করেন ড. হাছান মাহমুদ।