যন্ত্রণায় কাতর মিমি

রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১

বিনোদন ডেস্ক: এ যেন সন্তানহারা হওয়ার যন্ত্রণা। প্রিয় চিকুকে নিজের সন্তানের মতোই স্নেহ করতেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু ক্রমশই বোঝা গিয়েছিল এবার ক্ষণিকের অতিথি সে। তবুও আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন এ সংসদ সদস্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানতেই হলো হার। চলে গেল চিকু। সেখানে, যেখানে গেলে আর কেউ ফিরে আসে না।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ফেসবুকে এক হৃদয়বিদারক পোস্টে সবাইকে প্রিয় পোষ্যের প্রয়াণ সংবাদ জানান অভিনেত্রী।

বিকেলে দেওয়া মর্মস্পর্শী পোস্টে আট বছরের ল্যাব্রাডর চিকুর ছবির সঙ্গে কবরস্থ চিকুর ছবিও শেয়ার করেন মিমি। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘তুমি চলে গেলে আমার কিছুটা অংশ সঙ্গে নিয়ে। সমস্ত যন্ত্রণা থেকে দূরে গিয়ে শান্তিতে থেকো। মা তোমাকে ভালবাসে।’’

মিমি চক্রবর্তীর পরিবারের অন্যতম সদস্য চিকু। চারপেয়ে প্রাণীটিকে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ করতেন অভিনেত্রী। বড় ছেলে হিসেবে মানতেন। ৪ ফেব্রুয়ারি চিকুর ছবি পোস্ট করে টলিপাড়ার নায়িকা জানান, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। চিকুর শরীরে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে মারণ রোগ। এখানকার চিকিৎসকরা আশা ছেড়ে দেওয়ার পরে চিকিৎসা করাতে চেন্নাইও পাড়ি দেন মিমি।

সেই ছবিও পোস্ট করেন টুইটারে। চিকুর আরোগ্য কামনায় অনুরাগীদের প্রার্থনা করার অনুরোধ করেন। সেই খবর শেয়ার করে টুইট করতে দেখা যায় পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে। তিনি টুইটারে লেখেন, ‘‘ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি খুব শিগগিরিই যেন চিকু সুস্থ হয়ে ফিরে আসে।’’

চিকুর আরোগ্য কামনা করে মিমিকে সাহস জুগিয়েছিলেন অঙ্কুশ হাজরা, বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, সত্রাজিৎ সেনের মতো তারকাও।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব লড়াই শেষ হলো। চলে গেল চিকু। ক্যান্সারের মারণ ছোবলে অবলা পোষ্যের মৃত্যুর পরে দেওয়া মিমির পোস্টে অনেকেই সান্ত্বনা জানিয়েছেন অভিনেত্রীকে। জানিয়েছেন, যাদের পোষ্য আছে, তারা বোঝেন এমন কষ্ট কতটা গভীর হতে পারে। সেই সঙ্গে মিমিকে এই কষ্টকে হারানোর সাহসও জুগিয়েছেন তারা।