গণতন্ত্র ফেরাতে হবে, ষড়যন্ত্র থামাতে হবে: গয়েশ্বর

বুধবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২১

ঢাকা : গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে ‘ঐক্যবদ্ধ’ না হলে আন্দোলনে সফলতা আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, আগে অর্জন করেন যে, আমার গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। কে প্রধানমন্ত্রী হবে, হবে না- উই ডোন্ট বোদার। আগে ওটা ঠিক করেন যে, ওকে নামাতে হবে, গণতন্ত্র ফেরাতে হবে, ষড়যন্ত্র থামাতে হবে।’

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই মন্তব্য করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরোত্তমের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

জনগণই নেতৃত্ব ঠিক করে দিবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘তার আগে যদি বলেন আমারে একটা আসন দেবেন, আমারে এই কয়টা আসন দেবেন, আমাদের পেশাজীবীদের কয়টা দেবেন। একেক দল যদি একেকরকম বায়না শুরু করে ওই সিটটা আমারে দিতে হবে। তাহলে কো্শ্বিন কালেও(কোনোকালে) ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সফলতা আমরা পাবো না।’

জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে সকলকে আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবানও জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ‘সে কারণে বলতে চাই, আমাদের উচিত- উই শুড বি ইউনাইটেড উইথআউট এ্যানি কন্ডিশন। অনলি দ্যা কন্ডিশন- উই নিড ডেমোক্রেসি, উই ওয়ান্ট জাস্টিস।’

চলমান আন্দোলনে জয়ী হতে হলে এ টু জেড জনগণের আস্থায় আসতে হবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘ আমরা জিয়ার উত্তসূরি হিসেবে বাংলাদেশকে যেহেতু ভালোবাসি, আমরা নিশ্চয়ই জনগণের আস্থা অর্জনের সক্ষম হবো। তাহলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শান্তি পাবে, বেগম খালেদা জিয়া শান্তি পাবে।’

সরকার বিএনপিকে ভয় পায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার আপনাদেরকে ভয় পায়। খালেদা জিয়া জনপ্রিয়-কেউ স্বীকার করুক বা না করুক হাসিনা স্বীকার করে। বিএনপি জনপ্রিয় –এটা হাসিনা জানে বলে তো এই অবস্থা।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘শেখ হাসিনা শক্তিশালী না। তার চেয়ে থাকার তাগিদটা হচ্ছে তাকে শক্তি সঞ্চয় করে। বেঁচে থাকা মানে যে, রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাবে তা নয়। একবার ফসকাইয়া যাওয়ার পরে ২১ বছর লাগছে এখন আরেকবার ফসকাইলে কী ৪২ বছর লাগবো না ৮৪ বছর লাগবে এটা বলা যাচ্ছে না।’

সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খানের পরিচালায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মুক্তিযোদ্ধা দলের আবুল হোসেনসহ মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নেতারা বক্তব্য রাখেন।