বাবার বয়সী নূপুরের সঙ্গে আমির কন্যা ইরার প্রেম! কে তিনি?

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : কয়েকদিন আগেই ছোটবেলায় যৌন হেনস্থার শিকার হওয়া নিয়ে নিজের জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন আমির খানের মেয়ে ইরা খান।

১৪ বছর বয়সে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি বাবা আমির ও মা রিনা দত্তের ডিভোর্স নিয়েও মুখ খুলেছিলেন ইরা। ২০০২ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল আমির ও রিনার। আর এবার আবার শিরোনামে ইরা। এবারের কারণ অবশ্য তাঁর নিজের প্রেম জীবন। কিন্তু সেখানেও যেন ছক ভেঙেছেন আমির কন্যা। এর আগেও ইরার প্রেম জীবন নিয়ে কম চর্চা হয়নি। তার মধ্যেই এবার নতুন সম্পর্কে জড়ালেন তিনি।

তবে, নিজের মুখে এ বিষয়ে কিছু বলেননি ইরা। কিন্তু সূত্রের খবর, বাবা আমির খানের ব্যক্তিগত ফিটনেস ট্রেনার নূপুর শিখারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন ইরা। নূপুর ইরার থেকে প্রায় দ্বিগুণ বয়সী। আমিরের পাশাপাশি ইরাকেও ট্রেনিং দিয়ে থাকেন নূপুর। তবে এই সম্পর্ক নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি কেউই। এর আগে মিশাল কৃপালানির সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন ইরা। দু’বছর মতো টিকেছিল সেই সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সম্পর্কে জড়ালেন আমির কন্যা।

উল্লেখ্য, বলিউডের প্রথম সারির একজন ফিটনেস ট্রেনারদের অন্যতম নূপুর শিখার। মুম্বইয়ের ফিটনেজম, ফিটনেস এক্সপার্ট-এর মতো সংস্থার মালিক তিনি। শুধু তাই নয়, ভারতের প্রথম মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেনেরও ব্যক্তিগত ফিটনেস ট্রেনার ছিলেন তিনি। অনেক আগে থেকেই আমির খানকেও ট্রেনিং দিচ্ছেন নূপুর। জানা গিয়েছে, লকডাউনের সময় থেকে ইরাকেও ট্রেনিং দিচ্ছিলেন নূপুর। তখনই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। জানা গিয়েছে, দুজনেই নাকি এই সম্পর্কে যথেষ্ট সিরিয়াস। এমনকী দুজনে একসঙ্গে সম্প্রতি মহাবালেশ্বরের ফার্ম হাউজেও ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ ভিডিয়ো শেয়ার করে ইরা নিজের মনের কথা জানিয়েছেন। বলেছিলেন, ‘আমি যখন ১৪ বছরের ছিলাম, আমাকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছিল। এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা কারণ আমি কিছু বুঝতেই পারছিলাম না যে লোকটা কী করছে! এটা যে রোজ হত তা নয়। কিন্তু বিষয়টা প্রায় এক বছর চলার পর আমি বুঝতে পারি, ওরা যেটা করছে সেটা ওরা জেনেবুঝেই করছে। কিন্তু আমার বাবা-মা আমাকে ওই সিচুয়েশন থেকে বের করে আনে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর আর কখনও সেটা নিয়ে আমার কোনও খারাপ লাগেনি। আমি আর ভয়ও পাইনি। আমার মনে হয়েছিল, যাক এটা আর আমার সঙ্গে হবে না! আমি সেখান থেকে এগিয়ে যাই। তবে এটা কিন্তু সারা জীবনের জন্য আমার একটা খারাপ লাগা হয়ে রয়েছে তা নয়।’