৩৮তম বিসিএস: ৫৪১ জনকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডারে নিয়োগ

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২০

ঢাকা : আটত্রিশতম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে ৫৪১ জনকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

এই প্রার্থীদের বিসিএসের মেধাক্রম এবং সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগবিধির ভিত্তিতে মঙ্গলবার কমিশনের বিশেষ সভায় তাদের নিয়োগের সুপারিশ করা হয় বলে পিএসসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

৩৮তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদ স্বল্পতায় ছয় হাজার ১৭৩ জন ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ পাননি। তাদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য পাঁচ হাজার ৩২ জন কমিশনে আবেদন করেন।

সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজসেবা কর্মকর্তা/সমমান পদে ১১১ জন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট পদে ৬২ জন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পদে ৩৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে ৮৫ জন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে ১৯ জনসহ ৫৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫৪১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি।

সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা www.bpsc.gov.bd এবং http://bpsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আটত্রিশতম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পান না, তাদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় ৩১তম বিসিএস থেকে।

বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে (যারা ক্যাডার পায়নি) দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে সরকার। বিসিএসের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পায়নি তাদের মধ্য থেকে যারা প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পেতে চান, তাদেরকে আলাদাভাবে কমিশনে আবেদন করতে হয়।