ফের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিল ভারত

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ঢাকা : পাঁচ দিন বন্ধের পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভারতে আটকে পড়া পেঁয়াজ রফতানি শুরু করেন সে দেশের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।

আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজবাহী কোনো ট্রাক দেশে প্রবেশ করেনি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নতুন করে নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানির সম্ভাবনা নেই।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ভারত সরকার গত সোমবার হঠাৎ করে কোনো কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। পরে শুক্রবার একটি নোটিফিকেশন জারি করে যে, গত রোববার টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজগুলো তারা রফতানি করবে।

সেই মোতাবেক অনুমতি দেয়ায় গতকাল শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মাত্র ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করে। যে ১১ ট্রাক পেঁয়াজ রফতানি করেছে তার অধিকাংশ পেঁয়াজই ইতোমধ্যে পচে নষ্ট হয়ে পানি ঝরছে। এ কারণে আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ নিয়ে এসেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, এখনও ২০০’র বেশি পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া যে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের এলসি দেওয়া রয়েছে তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। এগুলোর বিষয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা কী করবে তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

হারুন উর রশীদ বলেন, আজ (রোববার) বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ প্রবেশ করবে কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই। কারণ শুধু গত রোববারের টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির জন্য অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু নতুন করে কোনো নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ভারতীয় কাস্টম বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ রফতানি করতে দেবে না।

এদিকে হিলিতে শনিবার আমদানি হওয়ায় ভালোমানের কিছু পেঁয়াজ আগের দিনের চেয়ে রোববার কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার ভারত সরকার হঠাৎ করে কোনো কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে দেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম। তবে সরকারের নানা উদ্যোগে গত দুদিন ধরে পেঁয়াজের মূল্য কমতির দিকে।