অক্টোবরেই প্রাথমিকে ৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২০

ঢাকা : করোনা ভাইরাসের দুর্যোগে প্রায় সবকিছুই থামকে আসছে। অনেক কিছুই স্বাভাবিকের চেষ্টা হলেও শিক্ষা কার্যক্রমণ এখনই থেমে আছে। তবে আগামী কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো খুলে দেয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলার পর পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। সারা দেশে একযোগে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫ হাজার ৩০০ জন এবং প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করতে কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসছে। আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। অনলাইন আবেদনের জন্য এক মাস সময় দেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ২৫ হাজার ৩০০টি পদ সৃজন করা হয়েছে। গত দুই মাস আগে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেয়া হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে জুন থেকে নিয়োগ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক পদ সৃজন করা হয়েছে। এসব পদে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে আমরা অনেক আগে অধিদফতরকে নির্দেশ দিয়েছি। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদগুলো চিহ্নিত করে সেসব পদে নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে কাজ শুরু করেছে ডিপিই।’

জানা গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে এবার প্রার্থী আবেদন করার পর সফটওয়্যারের মাধ্যমে অটোমেটিক ব্যক্তিগত ও একাডেমিক তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। এতে করে আবেদন যাচাই-বাছাই করতে সময়ক্ষেপণ হবে না।

আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারী নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (পাস) বা সমমান ডিগ্রি করা হয়েছে। গত বছর অনলাইন আবেদন ফি ১৬৬ টাকা হলেও এবার আবেদন ফি কিছুটা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বুয়েট ও টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় আবেদন গ্রহণ, কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো, খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশ করা হবে।