নেত্রকোনায় যাত্রাশিল্পী হত্যাকান্ডে জড়িত খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২০

সানাউল হক, নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার বারহাট্টায় বাংলাদেশ যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদ বারহাট্টা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহাগ মিয়ার নৃশংস হত্যা কান্ডে জড়িত খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে বৃহস্পতিবার দুপুরে সকল শ্রেনীপেশার মানুষের অংশগ্রহণে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বারহাট্রা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাসেম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানিক আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আজাদ, কৃষকলীগের সভাপতি টুপুর জোয়াদার, বাংলাদেশ যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদ নেত্রকোনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম. এরশাদুল হক জনি, বারহাট্টা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহম্মেদ বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা খুনীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান। উল্লেখ্য, নেত্রকোনার বারহাট্রার বাদে চিরাম এলাকা থেকে নিখোঁজের তিনদিন পর যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদ বারহাট্টা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহাগ মিয়ার (৪৫) লাশ উদ্ধার করে বারহাট্রা থানা পুলিশ। ১ আগষ্ট শনিবার সকালে উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের বাদেচিরাম গ্রামের ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

বাদেচিরাম পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাশিদের ছেলে সোহাগ মিয়া মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয় । সে ২৯ জুলাই বুধবার রাত ১০টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে কাছেই বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ডোবায় কোজ নিয়ে মাছ ধরতে যায়।

১ আগষ্ট সকালে বাদেচিরাম গ্রামের স্থানীয় এক ব্যক্তি নৌকা দিয়ে ডোবায় কচুরিপানা কাটতে গিয়ে একটি ভাসমান মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে বারহাট্রা থানার পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

বারহাট্টা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন,যাত্রা শিল্পী সোহাগ মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তবে কি কারনে হত্যা হয়েছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে এমন আরও ৪-৫জন সন্দেহের তালিকায় আছে। তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।