শরীরে ও যৌনাঙ্গে গভীর আঘাত ছিল সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশার!

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই আত্মহত্যা করেন অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ান। কিন্তু কেন দিশা আত্মহত্যা করলেন, মেয়ের মৃত্যু নিয়ে সেভাবে সরব হননি দিশার মা-বাবা। সম্প্রতি সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে উঠে আসে দিশার আত্মহত্যা প্রসঙ্গ।

দিশার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল বহুতল থেকে পড়ে গিয়েই মারা গিয়েছেন দিশা। সম্প্রতি দিশার আসল পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে তার মাথায় গভীর ক্ষত ছিল, এছাড়াও একাধিক আভ্যন্তরীন ক্ষত ছিল।

দিশা মুম্বাইয়ের ১৪ তলার একটি বহুতলে থাকতেন। ৯ জুন রাত ২টোর সময় মারা যান দিশা। সেই সময় তিনি তার বাগদত্ত রোহন রায়ের ফ্ল্যাটে ছিলেন। কিন্তু তার ময়নাতদন্ত হয় দুদিন পর, ১১ জুন। কেন এই দু দিন সময় লাগল সামান্য একটা অটোস্পি করতে তাই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

দিশার ময়নাতদন্ত হয় বোরিভালি হাসপাতালে। দিশার যখন মৃত্যু হয় তখন তিনি ছিলেন রোহনের বাড়িতে। কিন্তু পরবর্তীতে বলা হয় বাড়ির ১৪ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়েই আত্মহত্যা করেছেন তিনি।

এছাড়াও দিশার মা-বাবা মেয়ের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলেই বলে এসেছেন প্রথম থেকে। যদিও পরবর্তীতে তারা একটি মামলা করেন। এছাড়াও পরবর্তীতে বলা হয় ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছিল অভিনেতা সূরজ পাঞ্চোলির সন্তানের মা হতে চলেছিলেন দিশা।

সূরজের হাত থেকে দিশাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন সুশান্ত। যদিও এই প্রশ্নের ভিত্তিতেই ছেলে সূরজ পাঞ্চোলির হয়ে মুখ খুলেছিলেন বাবা আদিত্য পাঞ্চোলি এবং মা জরিনা।

তাদের মন্তব্য, ‘সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে কোনও যোগ নেই সূরজের।’ তাদের দাবি, প্রেম তো দূর অস্ত্, তিনি দিশা সালিয়ানকে চিনতেনই না। সংবাদমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পড়েছেন। তার সঙ্গে সুশান্তের সম্পর্ক ভালো ছিল বলেও জানিয়েছেন সূরজ।

এদিকে দিশার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আগেই উল্লেখ করা ছিল যে, তার যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত ছিল। কিন্তু বহুতল থেকে পড়লে যৌনাঙ্গে এই ধরণের ক্ষত হওয়া অস্বাভাবিক বলে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা।

যদিও তার ভ্যাজাইনা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই রিপোর্ট এখনও তৈরি হয়নি। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে শরীরে একাধিক ক্ষত ছিল দিশার। যে চিকিৎসক দিশার ময়নাতদন্ত করেছিলেন তাকে দিয়ে জোর করেই প্রাথমিক রিপোর্ট বানানো হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে।