ছাত্রদল নেতাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা

রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০

ঢাকা: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফারুক গতরাত ১১ টায় রামগড় উপজেলার কালাডেবা বাজার থেকে বৈরাগী টিলা নিজ বাড়িতে ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে ফেলে যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ২.৩০ মিনিটে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল।

আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনী গুম, ক্রসফায়ার ও বন্দুক যুদ্ধের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড অব্যাহত রেখেছে। তার উপর তাদের নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী তান্ডবও চলছে সমান তালে। সন্ত্রাসবাদ আর আওয়ামী লীগ যেন সমার্থক নামে পরিনত হয়েছে। একের পর এক হত্যাকান্ড দেখে মনে হচ্ছে ১৯৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনীর কথা। তখন পাক বাহিনী আর তাদের দোসররা যেভাবে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে অথবা যাকে যেখানে পেয়েছে সেখানে হত্যা করেছে, একই কায়দায় সরকারের প্রশ্রয়ে তাদের সন্ত্রাসীরা অন্যায় ভাবে ছাত্রদলের মেধাবী নেতা-কর্মীদেরকে হত্যা করছে রামগড় সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো ফারুক হত্যাকান্ড তারই একটি উদাহরণ মাত্র।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, স্বাধীনতার বহু বছর পর যেমন সেই হত্যার বিচার হচ্ছে তেমনিভাবে বর্তমানে ঘটা প্রতিটি নির্মম হত্যাকান্ডেরও বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। আর এসব হত্যাকান্ডের সাথে যারা সরাসরি জড়িত তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আশা করা যাচ্ছে সেই সময় আর দুরে নেই। খুব শীঘ্রই অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়ে ছাত্রদলের সকল শহীদদের মৃত্যুর সঠিক বিচার করা হবে।

নেতৃদ্বয় অবিলম্বে মো ফারুক হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। তাছাড়া সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত মো ফারুকের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তারা।বিজ্ঞপ্তি