আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি শিখবে: তথ্যমন্ত্রী

রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯

ঢাকা: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা আশা করি, আওয়ামী লীগের কাউন্সিল থেকে বিএনপি শিখবে এবং যে দুর্বৃত্তচক্রে বিএনপি’র রাজনীতি আটকা পড়েছে, সেখান থেকে তারা বেরিয়ে আসবে।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কেবিন ব্লকে চিকিৎসাধীন বর্ষীয়ান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানকে দেখার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত ফখরুল সাহেব আওয়ামী লীগ কাউন্সিলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এজন্য তাকে ধন্যবাদ। আমি তাকে বলবো, আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন শুধু রাজনীতির ক্ষেত্রেই নয়, জাতীয় ক্ষেত্রেও একটি মাইলফলক। ১৯৬৬ সালের আওয়ামী লীগ কাউন্সিল, যেখানে বঙ্গবন্ধু সভাপতি হয়েছিলেন, সেখানে সূচনা সঙ্গীত ছিল ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’।

রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের জন্য বিএনপিকে দায়ী করে ড. হাছান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পর রাজনীতিতে বণিকায়ন ও দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়েছিল জিয়াউর রহমান, সেই ধারা অক্ষুণ্ণ রেখেছিল এরশাদ সাহেব এবং বেগম জিয়া তা ষোলকলায় পূর্ণ করেছেন। সেই ধারা থেকে রাজনীতিকে উদ্ধার করে, রাজনীতি যে একটি ব্রত, তা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

আওয়ামী লীগের সম্মেলন থেকে বরং বিএনপি’র অনেক শেখার আছে, উল্লেখ করে দলের নব নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আওয়ামী লীগে নিয়মিত সম্মেলন হয়, বিএনপিতে কি সম্মেলন হয়! এক কলমের খোঁচায় সেখানে সদস্য হয়, বাদও যায়। বিএনপি চেয়ারপারসনের কতজন উপদেষ্টা আছে, মির্জা ফখরুল সাহেবও তা বলতে পারবেন না।’

‘আমাদের প্রত্যেক সম্মেলনের একটি ঘোষণাপত্র থাকে, এ সম্মেলনেরও আছে। সেখানে ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা, জাতিকে আমরা কোন লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে চাই, সব রয়েছে। বিএনপিতে তো এই চর্চা নেই, তারা এ বিষয়ে জানে না।’

কাউন্সিলে নেতৃত্বে তেমন কোনা পরিবর্তন নেই- এমন মন্তব্যের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কাউন্সিল মানেই নবীন-প্রবীণের মিলিত রক্তস্রোত সঞ্চালন। এবারও তা হয়েছে। আর পরিবর্তনই যে হতে হবে, এমন তো কথা নেই। যারা ভালো কাজ করছেন, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সভাপতি তাকে সেকাজে রাখতেই পারেন।’