মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

সোমবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯

মীর মারুফ তাসিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ৪৯তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলশান ক্যাম্পাসের কর্ডোভা হলে মহান বিজয় দিবস-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে এসব কর্মসূচি পালিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায় প্রশাসন ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর এম. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব হাফিজুল ইসলাম মিয়া; প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. কোরবান আলী এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর হেমায়েত হোসেইন খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার ও সাবেক সচিব মো. মনিরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম তার বক্তৃতায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৫২ থেকে ৭১ পর্যন্ত তৎকালীন পাকিস্তানী শাসক যেভাবে পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ, বৈষম্যতা ও বঞ্চিত করেছে তার প্রতিবাদেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। সেই মহান নেতার শক্ত হাত, মেধা, সাহস ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাঙালীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

তিনি একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের কথা স্মরণ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ আমরা কোনদিন শোধ করতে পারব না। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের কথা স্মরণ করে আলোচনা সভায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, ফার্মেসি বিভাগের প্রধান ড. নারগিস সুলতানা চৌধুরী, সিএসই বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেইন, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ মাহবুব-উল-আলম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহবুব আলম, পাবলিক রিলেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস্ অ্যাফেয়ার্সের উপ-পরিচালক আবদুল মতিন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার (ইনচার্জ) আলমগীর হোসেইন প্রুমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সেন্টার ফর জেনারেল এডুকেশনের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ।