বাড়ছে না কমিটির আকার, আমন্ত্রণ পাচ্ছেন না বিদেশি অতিথি * বাদ পড়তে পারেন বিতর্কিত ও নিষ্ক্রিয়রা

প্রধান দুই বড় দলের জাতীয় কাউন্সিল

বুধবার, ডিসেম্বর ৪, ২০১৯

ঢাকা: আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ঘিরে সব স্তরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে তৃণমূলে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন গুছিয়ে আনা হয়েছে।

৮টি সাংগঠনিক টিম ছুটছে তৃণমূল সম্মেলন বাস্তবায়নে। নিরলসভাবে কাজ করছে কাউন্সিল প্রস্তুতির ১১টি উপকমিটি। তবে এত প্রস্তুতির মধ্যেও এবার কাউন্সিল আয়োজনে বড় কোনো চমক থাকছে না। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সহযোগী সংগঠনের তৈরি করা মঞ্চেই হচ্ছে কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশন। কমিয়ে আনা হয়েছে বাজেটও।

আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আয়োজন থাকায় অনেকটাই সাদামাটা থাকছে এবারের কাউন্সিল। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগের সর্বশেষ ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ২১-২২ অক্টোবর। সে হিসাবে চলতি বছরের অক্টোবরে সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ২০-২১ ডিসেম্বর করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ।

প্রথম দিন বেলা ১১টায় অধিবেশনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন সারা দেশ থেকে আসা কাউন্সিলর, ডেলিগেটস ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।

থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দ্বিতীয় দিন ২১ ডিসেম্বর দলের কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে। এখানে দলের ৬ হাজার ৪০০ কাউন্সিলর উপস্থিত থাকবেন। সেখানেই ঘোষণা করা হবে আগামী তিন বছরের জন্য আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব।

জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি কেমন- জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সম্মেলন প্রস্তুতির অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী জাফরউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, কাউন্সিল ঘিরে সব স্তরের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। একই স্থানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ইতিমধ্যে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের ৫টি কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ায় মঞ্চ নির্মাণে তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না।

নৌকার আদলে মঞ্চ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা। এবার গঠনতন্ত্র সংশোধন হচ্ছে না, ফলে বাড়ছে না কমিটির আকার। আমন্ত্রণ করা হয়নি বিদেশি মেহমান। কাউন্সিলে বড় চমক না থাকলেও নতুন কমিটিতে বড় পরিবর্তন আসছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা যায়, নৌকার আদলে মঞ্চ সাজাতে শেষ মুহূর্তে কাঠ-পেরেকের কাজ করছেন কারিগররা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ঘিরে পুরো ঢাকা মহানগরে আলোকসজ্জা করবে আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে আলোকসজ্জা, মঞ্চ ডেকোরেশন, সাউন্ডসিস্টেম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট উপকমিটি। একশ’ চিকিৎসক নিয়ে ১২টির মতো প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র প্রস্তুত করছেন স্বাস্থ্য উপকমিটি। খাদ্য উপকমিটি ইতিমধ্যে প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারসহ বেশ কয়েকটি খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এ ছাড়া শুক্রবার সব উপকমিটির সমন্বিত বৈঠকে প্রস্তুতি সম্পন্নের বিষয়টি উপস্থাপন করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

দলটির উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ইতিমধ্যে সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য ৫ হাজার বাংলা ও ১ হাজার ইংরেজি আমন্ত্রণপত্র তৈরি ও বিতরণ শুরু হয়েছে। সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে উপকমিটিগুলো ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি হিসেবে ইতিমধ্যে ৫টি সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম ও শাখা সংগঠন- কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করেছে দলটি। সম্মেলনে সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব স্থান পেয়েছে।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেন, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনে নেতৃত্বের যে পরিবর্তন হয়েছে সেই ধারাবাহিকতা থাকবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলেও। সে বিবেচনায় বর্তমান কমিটির নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত নেতাদের বাদ দেয়া হবে।

এতদিন যারা সংগঠনকে উপেক্ষা করে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন, তাদেরও রাখা হবে না কেন্দ্রীয় কমিটিতে। নির্বাচন কমিশনের বাধ্যতা থাকায় এবার নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।

অপরদিকে জাতীয় কাউন্সিলকে ঘিরে তৃণমূলে ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। ৮টি সাংগঠনিক টিম ছুটছে জেলা-উপজেলায়।

গত এক মাসে ১১টি জেলা ও দুই শতাধিক উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলার সম্মেলন শেষ করার টার্গেট থাকলেও তা বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগমুহূর্ত পর্যন্ত তৃণমূল সম্মেলন হতে পারে। মঙ্গলবার নড়াইল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার অনুষ্ঠিত হয় পটুয়াখালী জেলা সম্মেলন। এর আগে কেন্দ্রীয় নেতারা নোয়াখালী, রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দেন। আগামীকাল সিলেট মহানগর ও জেলা, ৭ ডিসেম্বর বগুড়া, সাতক্ষীরা জেলা, ৮ ডিসেম্বর রাজশাহী, বাগেরহাট জেলা, ৯ ডিসেম্বর কুমিল্লা উত্তর জেলা, ১০ ডিসেম্বর খুলনা জেলা ও মহানগর, ১১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলা ও ১২ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর বাইরে আরও ৩০টি জেলায় সম্মেলন করতে চিঠি পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ। সম্মেলন ঘিরে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দিকে তাকিয়ে বিএনপি

মুক্তি মিললে ঝুলে যেতে পারে * দ্রুত শেষ হবে ৮১টি সাংগঠনিক জেলা পুনর্গঠনের কাজ

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির ওপর নির্ভর করছে দলটির জাতীয় কাউন্সিল। খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতেই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হোক- এমনটি চাচ্ছেন কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের মতে, চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে কাউন্সিল আয়োজন করা খুব সহজ হবে না।

নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা- সবকিছু ঠিক থাকলে খুব দ্রুতই জামিনে মুক্ত হবেন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে ৮১টি সাংগঠনিক জেলা পুনর্গঠনের কাজ শেষ করা হবে। গোছানো হবে অঙ্গসংগঠনগুলো। সর্বশেষ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। তিন বছর মেয়াদি কমিটি আট মাসের বেশি সময় মেয়াদোত্তীর্ণ।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নীতিনির্ধারকরা বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছিলেন, যত দ্রুত সম্ভব তারা দলের সপ্তম কাউন্সিল করবেন। কিন্তু সার্বিক প্রস্তুতি না থাকায় দলের হাইকমান্ড এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। পাশাপাশি চেয়ারপারসনের মুক্তি না হওয়ায় আরেকটু সময় নিয়েই ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় কাউন্সিল করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা কাউন্সিল করব না, তা কখনও বলিনি। কাউন্সিলের লক্ষ্যে আমরা দলের কমিটিগুলো আপডেট করছি।

সারা দেশে জেলা-উপজেলাসহ সর্বস্তরে কমিটি গঠনের কাজ শেষ হওয়ার পরই জাতীয় কাউন্সিল হবে। অর্থাৎ দুইদিন আগে বা পরে হোক- সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরই কাউন্সিল হবে। এ নিয়ে সংশয়ের কিছু নেই।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক বলেন, ইচ্ছা করলেই আমরা যখন-তখন কাউন্সিল করতে পারি না। এক্ষেত্রে অনেক বিষয় আমাদের বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বাইরে- শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে কাউন্সিল করা কঠিন কাজ।

তাছাড়া কাউন্সিল অনুষ্ঠানে সরকার কতটা সহযোগিতা করবে, সেটাও ভাবতে হচ্ছে। তারা বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে এসব বাধা সহজেই দূর করা সম্ভব হবে। তাই আমরা চাচ্ছি চেয়ারপারসনকে সঙ্গে নিয়েই কাউন্সিল করতে। জামিনের মাধ্যমে শিগগিরই খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন এবং এ ব্যাপারে সরকারও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতর সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে দলটির ৮১টি সাংগঠনিক জেলার বেশির ভাগেরই কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। মাত্র ২০টি জেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এগুলো হল- নীলফামারী, হবিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নওগাঁ, যশোর, বগুড়া, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সৈয়দপুর, পাবনা, নাটোর, রাজশাহী, নেত্রকোনা, পঞ্চগড়, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ, রাজবাড়ী, ফেনী ও সিলেট। তিন মাসের জন্য গঠিত এ আহ্বায়ক কমিটিগুলোর মধ্যে ১২টির মেয়াদ পার হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর মধ্যে ৯টি সাংগঠনিক জেলায় আংশিক থেকে পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। এগুলো হল- জামালপুর, লালমনিরহাট, খাগড়াছড়ি, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট ও শেরপুর। একই অবস্থা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রেও।

দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা জানান, ষষ্ঠ কাউন্সিলের পর কেন্দ্রীয়ভাবে ‘ঢাউস’ কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু দলে সেভাবে গতি ফেরেনি। কেন্দ্রীয় কমিটির বেশির ভাগ নেতাই নিষ্ক্রিয়। ওই সময় অনেক যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকে কমিটিতে রাখা হয়নি। এ নিয়ে দলের বড় একটি অংশের মধ্যে এখনও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ না পেলেও তারা দলে সক্রিয় আছেন। শিগগিরই কাউন্সিল হলে এসব ত্যাগী নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

তাই দ্রুত কাউন্সিলের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয়দের বাদ দিয়ে যোগ্য ও ত্যাগীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে দলে গতি ফেরানোর বিকল্প নেই। আগামী দিনে সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদারে দলের সাংগঠনিক শক্তির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই সব বাধা উপেক্ষা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাউন্সিল করার পক্ষে দলের বড় একটি অংশ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে পুনর্গঠনের কাজ চলছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশে কমিটি গঠনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। দলের পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরই জাতীয় কাউন্সিল হবে।

জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, সাংগঠনিক জেলাগুলোর কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জেলাগুলো পুনর্গঠন শেষ হলেই কাউন্সিলের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হবে। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের সবার প্রত্যাশা- দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে জাতীয় কাউন্সিল হোক। আমরাও সেটাই চাচ্ছি। আশা করি, তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্তি পাবেন। চেয়ারপারসন মুক্তি পেলে কাউন্সিল অনুষ্ঠান দ্রুত ত্বরান্বিত হবে।

এ পর্যন্ত বিএনপির ছয়টি কাউন্সিল হয়েছে। এর মধ্যে সর্বপ্রথম কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয়টি ’৮২ সালের ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ’৮৯ সালের মার্চ, চতুর্থ ’৯৩ সালের সেপ্টেম্বর, পঞ্চম ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর এবং সর্বশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয় ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ।যুগান্তর