কালোজিরা খাবেন যে কারণে

বুধবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৮

কালোজিরা খুব পরিচিত একটি নাম। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা রোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। কালোজিরার মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান থাকে।

এছাড়াও কালোজিরার রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন। কিন্তু কালোজিরা তো আর স্বাভাবিক খাবারের মত খেতে পারবেন না। তাহলে কিভাবে খাবেন কালোজিরা দেখে নিন।

খাওয়ার নিয়মঃ

কালোজিরার তেলের সাথে জলপাই তেল, নিম তেল, রসুনের তেল, তিল তেল মিশিয়ে নেয়া যায়।
ব্যবহারঃ পুদিনা পাতার চায়ের সাথে কালোজিরা, রসুন, পেঁয়াজ, কালোজিরা, গাজর মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

মাথাব্যথাঃ মাথা ব্যথায় উভয় কপালে চিবুকে ও কানের পাশে প্রতিদিন ৩/৪বার কালোজিরার তেল মালিশ করুন। আর ৩ দিন খালি পেটে এক চা চামচ করে তেল পান করুন। মাথাব্যথায় মালিশের জন্য রসুনের তেল, তিল তেল ও কালোজিরার তেলের মিশ্রণ মাথায় ব্যবহার করুন।

চুলপড়াঃ লেবু দিয়ে মাথার ত্বকে ভালভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর মাথার চুল শুকানোর পর ত্বকে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। ১ সপ্তাহেই চুলপড়া বন্ধ হবে।

কফ ও হাঁপানিঃ বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ হাঁপানি রোগের জন্য উপকারি।

ডায়াবেটিসঃ কালোজিরার গুড়া ও ডালিমের খোসার গুড়া মিশ্রণ, কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারি।

কিডনির পাথরঃ ২৫০ গ্রাম কালোজিরা ও সমপরিমান বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে দুই চামচ মিশ্রণ আধাকাপ গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন আধা চা কাপ পরিমাণ তেলসহ পান করতে হবে।

মেদ ও হৃদরোগের জন্যঃ চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে খেলে অথবা এর তেল পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হবে, তেমনি মেদও কমবে। এছাড়া অ্যাসিডিটি কমাতে এককাপ দুধ ও এক বড় চামচ কালোজিরার তেল প্রতিদিন ৩ বার ৫-৭ দিন খেলে সমস্যা অনেক কমবে।

উচ্চরক্তচাপঃ চা পান করলে সাথে কালোজিরা যেকোন ভাবে দিয়ে খান। এছাড়া গরম ভাতের সাথে কালোজিরার ভর্তা খেতে পারেন। এ উভয় পদ্ধতির সাথে রসুনের তেল নিয়ে নিন।

কোমর ব্যথাঃ পিঠ, কোমর ও বাতে ব্যথার জন্য কালোজিরার তেল মালিশ করুন দেখবেন আরাম পাচ্ছেন।