আসামে মুসলিম হত্যার ভিডিও ভাইরাল, সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের আসামে আবারও শুরু হয়েছে মুসলিম নির্যাতন। এবার এক মুসলিম ব্যক্তিকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করলো ভারতীয় পুলিশ। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মুসলিম নির্যাতনের এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তোলপাড়। নিন্দা, ক্ষোভ ও তিরস্কার জানাচ্ছে নেটিজেনরা। মুসলিম নির্যাতন বন্ধসহ অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে উত্তাল নেটদুনিয়া।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, ‘মুসলিম বিক্ষোভকারীদের উপরে গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় পুলিশ। তাদের গুলি ও লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই এক মুসলিম নিহত হয়েছে। পুলিশের গুলিতে নিহত ওই মুসলিমের লাশের উপর এক সাংবাদিককে হামলা করতে দেখা যায়। পুলিশকেও লাঠি দিয়ে লাশের গায়ে আঘাত করতে দেখা যায়।

জানা গেছে, বর্তমানে আসামে মুসলমানদেরকে তাদের জন্মভূমি পৈত্রিক ভিটা হতে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় পুলিশ ও উগ্রপন্থি ভারতীয়রা মুসলিম নির্যাতন শুরু করেছে।

এ বিষয়ে মুফতি উসমান ফারুকী ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘ভিডিওটা দেখে প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে ফেলছি, যেকোনো ধর্মের হোক সে তো একজন মানুষ, এভাবে নির্যাতন করা ভারতের নরপশুদেরকে অনতিবিলম্বে ফাঁসীর আওতায় আনা হোক।’

মুতাওয়াক্কিল শরীফ লিখেছেন, ‘আমি স্তম্ভিত, বাকরুদ্ধ! আল্লাহ্ রক্ষা করুন, জালিমদেরকে ধ্বংস করুন!’ আল্লাহর কাছে বিচার চেয়ে জাকির হোসাইন বাবলু লিখেছেন, ‘আল্লাহ্ তুমিও তো শ্রেষ্ঠ বিচারক, এই হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের বিচার আপনার কাছে।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে আতিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বর্তমান ভারত সরকার কতটা হিংস্র সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি। এরা আবার নির্লজ্জের মত আফগানিস্তান নিয়ে কথা বলে৷’

ধিক্কার জানিয়ে মহি উদ্দিন লিখেছেন, ‘ধিক্কার জানাই ভারতীয় এই জঙ্গি পুলিশ ও সাংবাদিকদের। আসা করি ভারতের মাটিতে এদের একদিন বিচার হবে, ইনশা আল্লাহ।’

তিরস্কার জানিয়ে মনির শিকদার লিখেছেন, ‘এরাই আবার মানবতার কথা বলে, অসম্প্রদায়িকতার কথা বলে; এদের লজ্জা, মনুষ্যত্ব বলে কিছুই নেই। সব কিছুর বিচার একদিন হবে, সেদিন আর বেশি দুরে নয়।’

এমডি আহমেদ লিখেছেন, ‘নির্যাতন যেখানে, ইসলামের বিজয় সেখানে। এটাই মুসলিমদের বিজয়ের পথ। রক্ত ঝরবেই। শহীদ হবেই। দুঃখ সাময়িক। সুখ চিরদিনের। আগামীর বিশ্ব ইসলামের। ঘুমন্ত মুসলিম জাগবে। ভারতবর্ষে মুসলিমরা আবারও কালিমার পতাকা উড়াবে। যতই অত্যাচার, নিপীড়ন বাড়বে, ততই মোহাম্মদ বিন কাসেমের আগমনের পথ খুলবে। তালেবান তার জ্বলন্ত প্রমাণ।’