দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

শনিবার, জুলাই ২৪, ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের বিরুদ্ধে মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ করতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সফরে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন। মূলত জাপান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা এই চারটি দেশ নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে গঠন হওয়া অনানুষ্ঠানিক সামরিক জোট ‘কোয়াড’কে সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে লয়েড অস্টিন এর এই সফর। ভয়েজ অব আমেরিকয়া এতথ্য জানিয়েছে।

করোনাভাইরাসে পর্যদূস্ত এই মিত্র রাষ্ট্রগুলো চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতায় উদ্বিগ্ন। এশিয়া সফরের প্রাক্কালে তাঁর সঙ্গে আলাস্কা সফররত সংবাদাতাদের অস্টিন বলেন,“আমরা ঐ অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে বিশেষ মূল্য দিই, সুতরাং আমার লক্ষ্য হচ্ছে সম্পর্কগুলোকে আরও জোরালো করে তোলা”।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন মিত্রদের একত্রিত করার লক্ষ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে যাচ্ছেন। করোনাভাইরাসে পর্যদূস্ত এই মিত্র রাষ্ট্রগুলো চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতায় উদ্বিগ্ন।

এশিয়া সফরের প্রাক্কালে তাঁর সঙ্গে আলাস্কা সফররত সংবাদাতাদের অস্টিন বলেন,“আমরা ঐ অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে বিশেষ মূল্য দিই, সুতরাং আমার লক্ষ্য হচ্ছে সম্পর্কগুলোকে আরও জোরালো করে তোলা”।

আগামি সপ্তাহে অস্টিন সিঙ্গাপুর , ভিয়েতনাম এবং ফিলিপিন্স সফরে যাবেন। এটি হচ্ছে বাইডেন প্রশাসনের একজন শীর্ষ সদস্যের এই প্রথম দক্ষিণ এশিয়া সফর এবং এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অস্টিনের দ্বিতীয় সফর। এবারের সফরকে তিনি ‘পেন্টাগনের তৎপরতার অগ্রাধিকারের স্থান’ বলে অভিহিত করেন।

অস্টিন তাঁর আসন্ন সিঙ্গাপুর সফরের সময়ে ২৭ শে জুলাই ইন্টারন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে মূল ভাষণ দেবেন। এই ভাষণে অস্টিন গোটা এলাকায় চীনের আগ্রাসন “সম্মিলিত ভাবে প্রতিরোধে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির কথা” বলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের উপকুল রক্ষী এবং নৌ মিলিশিয়ার জাহাজগুলো ফিলিপিনের নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রবেশ করে জেলেদের প্রায়ই হয়রানি করে।

চীনা জাহাজগুলো মালায়েশিয়া ও ভিয়েতনামের উপকুলের অদূরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানী কর্মীদেরও হয়রানি করেছে এবং এতে তাদের জ্বালানি শক্তির উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।

অস্টিন বুধবার পেন্টাগনে সংবাদাতাদের বলেন যে সমুদ্রগুলোর স্বাধীনতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি তিনি পুনঃনিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দক্ষিন-চীন সাগরে এই সামুদ্রিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চীন অযথা ভিত্তিহীন দাবি করে আসছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের নেতৃত্বে জাপান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা এই চারটি দেশ নিয়ে গঠিত হয় কোয়াড। তবে এটি ২০০৭ সালে গঠিত হলেও সেভাবে সক্রিয় ছিল না। এটি কার্যকরভাবে কাজ করতে শুরু করে ২০১৭ সাল থেকে।