দেশে আইনের শাসনে ঘাটতি রয়েছে : জি এম কাদের

রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১

ঢাকা : জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, সাইবার অপরাধ দমনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে। এ আইনটি গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় পার্টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিপক্ষে নয়। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কতিপয় ধারা নিবর্তনমূলক। যা ভিন্নমত দমনে ব্যবহার হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে।

রবিবার (৭ মার্চ) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে প্রাদেশিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন জাতীয় সমন্বয় কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কতিপয় ধারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত করেছে। গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মত প্রকাশের অধিকার অনেকাংশেই রোধ করেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কতিপয় ধারা। কিছু কিছু ধারায় বর্ণিত অপরাধ অজামিনযোগ্য যা মানবাধিকারের পরিপন্থি।

জিএম কাদের বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো মানুষের মুক্ত চিন্তার অধিকার এবং বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ভিন্নমত দমনে অপব্যবহার হচ্ছে, আমরা সেই ধারাগুলো পরিবর্তন করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ওই ধারাগুলো সংশোধন করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন জরুরি হয়ে পড়েছে।

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশে আইনের শাসনে ঘাটতি রয়েছে। দলীয়করণের মাধ্যমে দেশে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এ কারণেই সুশাসন নিশ্চিত হচ্ছে না।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও প্রদেশিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভাপতি ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও প্রদেশিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন জাতীয় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুনীল শুভ রায়, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী মীর আবদুস সবুর আসুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেনেন্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন ও ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান।