৯০ ভরি স্বর্ণ লুট: আদালতে গাড়িচালকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২১, ২০২১

ঢাকা : ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৯০ ভরি ওজনের দু’টি স্বর্ণের বার ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে অধিদপ্তর।

সেইসাথে গ্রেপ্তার বাকী ৪ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গাড়ীচালক ইব্রাহিম শিকদার।

ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৯০ ভরি স্বর্ণ লুটের অভিযোগ উঠে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হাসানের বিরুদ্ধে। পরে, রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় সাকিবসহ ৫ জনকে।

এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ। তবে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, সাকিবকে সাময়িক বরখাস্তসহ তদন্তের জন্য মন্ত্রনালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান জানান, একজন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হিসেবে তার দায়িত্ব হচ্ছে মাদক অপরাধ দমন, মাদক অপরাধ উদঘাটন করা। কারো সম্পদ ছিনিয়ে নেয়া তার কাজ না। যেহেতু সহকারি পরিচালক প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা, উনার অথরিটি মন্ত্রণালয় সেজন্য তাকে বরখাস্ত করার জন্য মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় গাড়ীচালক ইব্রাহিম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর দুই আসামি এমদাদুল ও আলমগীরকে বুধবার দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন জানান, তারা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, মানুষকে জিম্মি করে স্বর্ণ নিয়েছেন। পরবর্তীকালে তদন্ত শেষে তাদের সততা বেড়িয়ে আসে এবং তাদেরকে বিভিন্ন তারিখে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন তারা সেচ্ছায় শিকারোক্তি দিচ্ছে।

এ ঘটনায় এসএম সাকিব, সিপাহী আমিনুল এবং তাদের সহযোগী হারুনও তিন দিনের রিমান্ডে রয়েছে।