তাদের নেতা স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পারেনি বলে এত অনুশোচনা: রিজভী

বুধবার, জানুয়ারি ২০, ২০২১

ঢাকা : তাদের অনুশোচনা তাদের নেতা সেই ঘোষণা দিতে পারেনি।শহীদ জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মানুষদের জাগিয়েছেন। তাই তারা লজ্জায় মরে যায়। তারা অনুুশোচনায় ভোগেন বলে মন্তব্য করেছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

আজ বুধবার(২০ জানুয়ারি) দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা বিএনপির উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৫তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, আমাদের মত জায়গা থেকে একজন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ সম্পর্কে বলা খুব কঠিন। গয়েশ্বর চন্দ্রের কিছু সান্নিধ্য আছে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে। তিনি সরাসির কাজ করেছেন তাঁর সাথে। আমরা ছাত্র রাজনীতি করেছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির প্রোগ্রামে খুব কাছাকাছি দেখেছি। কিন্তু তাকে আরো ভিতর থেকে জানার দাদারা যেটা জানেন আমরা হয়তো সেটা জানি না।আমরা শুধু জানি তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে। আমরা দেখেছি তাঁর তুলানামূলক জায়গা জিয়াউর রহমান, এরশাদ, আবার শেখ হাসিনা এদের মাঝে যখন তুলনা করি। আর তুলনা করতে গেলে আমার নিজের মধ্যে অহংকার হয়, গর্ব হয়। যে আমি একটা সঠিক রাজনৈতিক দল, বিএনপির মত রাজনৈতিক দলের একজন কর্মী হিসাবে আমি সত্যি নিজেকে ধন্য মনে করি। আমার নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমার নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আমার নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান।

তিনি বলেন, কিন্তু ধারাবাহিকতা কার থেকে? ধারাবাহিকতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে।আপনি যেদিক দিয়েই বিশ্লেষণ করেন না কেন! সবদিক দিয়েই অতুলনীয়,অন্যন্য। ‍একটি রাজনৈতীক দল পাকিস্তান আমলে গণতন্ত্রের কথা বলেছে, স্বায়ত্তশাসনের কথা বলেছে এবং এটারই একটা বৃহত্তর রুপ নিলো স্বাধীনতার যুদ্ধে। সে যুদ্ধের ঘটনা থেকে আমরা যদি এখন পর্যন্ত, আজকের দিন পর্যন্ত বিশ্লেষণ করি প্রত্যেকটি জায়গায় আওয়ামী লীগের দেখবেন আত্বপ্রতারণা। ৭০ এর নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে কিন্তু পাকিস্তানিরা সেই নির্বাচনকে মেনে নেয়নি। এটারও রুপ নিলো স্বাধীনতা যুদ্ধে। কিন্তু, যুদ্ধ হবে কি হবে না? যুদ্ধের ঘোষণা যাবে কি যাবে না? ‍এটা নিয়ে কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সুষ্পষ্ট কোন নীতিমালা ছিলো না। জনগণ এগিয়ে গেছে, ছাত্ররা এগিয়ে গেছে, কৃষক সমাজ, শ্রমিক, সেনাবাহিনী সবাই স্বাধীনতার জন্য উজ্জীবিত।

আরো বলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের ভূমিকা কি? এটাকি নতুন করে বলার কোন অপেক্ষা রাখে? আমি যদি বিএনপির যারা লেখক তাঁদের বই থেকে উদ্ধৃতি দিতাম তাহলে বলতেন এরাতো সবাই বিএনপির নেতা বা বিএনপির বুদ্ধিজীবী। কিন্তু আপনি যদি আওয়ামী লীগের নেতা, আওয়ামী লীগের বুদ্ধিজীবী তাদের বই থেকে দেখেন তাহলে বলা হবে কেন আমরা বিএনপি করি। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের যিনি প্রধান নেতৃত্ব দিলেন তাজউদ্দিন সাহেব। তার বইয়ের মধ্যে বলছে, শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে যখন তাজউদ্দিন আহমদ গিয়েছেন, শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন, কানে তেল দিয়ে ঘুমা।এটা যদি বিএনপির কেউ বলতো সাধারণ মানুষ অবিশ্বাস করতো? কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের আওয়ামী লীগের একজন প্রধান নেতার কন্যা এটা লিখেছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়েও যত আওয়ামী লীগের নেতা এমনকি প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ড.ওয়াজেদ সাহেব তিনি তার বইয়ের মধ্যে লিখছেন,যখন আমরা কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্রে মেজর জিয়া নামে একজন ব্যক্তি স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন তখন আমরা আশান্বিত হলাম, তখন আমরা উদ্ধুদ্ধ হলাম। অতএব আর কোন প্রমাণ লাগে? আর কোন প্রমাণ লাগে না।

আওয়ামী লীগ আত্ববিরোধী আর স্ববিরোধী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসছিলো। তখন তারা বলতো প্রায় শেখ মুজিব নাকি বিডিআরের ওয়ারলেসে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। এটা নিয়ে তখন তোলপাড় হৈ চৈ হতো। এর কোন প্রমাণ নাই। তারা কোন স্পষ্ট প্রমাণ দিতে পারে নি। আর এইবার ক্ষমতায় এসে তারা বলে,অবৈধভাবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোটার বিহীন নিশীরাতের ভোট করে, জোর করে এই সরকার ক্ষমতায় আছে। এখন বলে, ৭ই মার্চের মধ্যেই তো স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েছে।এই স্ববিরোধীতা! একবার বলল বিডিআরের ওয়ারলেস আর এখন বলে ৭ই মার্চের মধ্যেই হয়ে গেছে। অর্থাৎ স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে, স্বাধীনতা নিয়ে এবং স্বাধীনতার যে পালি এটার সাথে তারা যে মোটেও সংযুক্ত ছিলো না ‍এটা নিয়ে যে অনুশোচনা আছে এজন্যই একেক সময় একেক কথা বলে।

তিনি বলেন, যদি শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিতো তাহলে কি কেউ অস্বীকার করতো? করতো না। উনি দেয়নি। কিন্তু একজন মেজর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিলো এটা কেন মানবো তারা! কিন্তু আবার প্রমাণও করতে পারে না। আরে ভারতের যারা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, ভারতের কেউ তাদের নিয়ে বিতর্ক করেনা। মহত্বা গান্ধী, নেতাজী সুভাষ ঘোষ, জহর লাল নেহেরু,মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এই নিয়ে কোন রাজনৈতিক দলের কোন বিতর্ক নেই সেখানে।

এই নেতা আরো বলেন, নেতাজী সুভাস ঘোষ বাহিনী গঠন করে তিনি বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। সেই দিবস পালন করে ভারতীয়রা। এটা নিয়ে কেউ কখনও কোন বিতর্ক করেনি। আমাদের দেশে আজকে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আওয়ামী লীগ কেন বিতর্ক করে? শহীদ জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মানুষদের জাগিয়েছেন। তাই তারা লজ্জায় মরে যায়। তারা অনুুশোচনায় ভোগে। মানতে চাই না।ক্ষমতায় এসে আদালতে দরজা ধরে।

বিচারপতি মানিকের সমালোচনা করে এই নেতা বলেন, এগুলো হলো আওয়ামী লীগ রঞ্জিত আওয়ামী লীগের যেসব কর্মীর স্লোগান দেয় জয় বাংলা, জয় বাংলা ওই টাইপের বিচারপতি এরা।এদেরকে বিচারপতি নিয়োগ করে রুল জারি করতে হয়েছে। বিধান করতে হয়েছে স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিব। কেন! পৃথিবীর কোথাওতো এই ধরণের দৃষ্টান্ত নেই! অর্থা স্বাধীনতা আর স্বাধীনতা নিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাটতি আছে বলেই আজকে জোর করে, আইন করে, হুমকি দিয়ে , নিজেদের বিচারপতি আদালতে নিয়োগ দিয়ে আজকে নিজেদের নিতাকে বানাতে চাচ্ছেন স্বাধীনতার ঘোষক! কিন্তু এটা হবে না। এটা মানুষ কোনদিন মেনে নেইনা।

আসল ইতিহাস মানুুষের মনের মধ্যেই থাকবে উল্লেখ করে এই নেতা আরো বলেন, পৃথিবীর যে স্বাধীনতার ইতিহাস, সত্য ইতিহাস, যে ইতিহাস মানুষের হৃদয়মাঝে গেঁথে যায় এই ইতিহাসকে আপনি আদালত দিয়ে লেখাবেন, এই ইতিহাস কি আপনি হুমকি দিয়ে লেখাবেন, এই ইতিহাস চুরির টাকা দিয়ে গবেষক দিয়ে লেখাবেন! এই ইতিহাস কখনও মানুষের মনের মাঝে গাঁথবেনা। এটা আস্তাকুড়ে ডাস্টবিনে পড়ে থাকবে।

বিএনপি ত্রাণকারি তথা উদ্ধারকারী হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন এত অত্যাচার, নিপীড়ন করে, গুম করে স্বাধীনতার ইতিহাস লেখালেও স্বাধীনতার ঘোষক বলতে মানুষ জিয়াউর রহমানকেই মনে করে। স্বাধীনতার যুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তী পর্যায়ে প্রত্যেকটি জায়গায় তারা একটা হানাদারি ভূমিকা পালন করেছে। আর প্রত্যেকটি জায়গায় বিএনপির নেতা এবং ত্রাণকারি তথা উদ্ধারকারী হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে ।

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশাল করেছিলো উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা এক নাম্বার আর দু নাম্বার হচেছ গণতন্ত্র হত্যা।এরা পত্র পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে, রাজনৈতিক দল বন্ধ করে দিয়েছে। জিয়াউর রহমান ৭ই নভেম্বর বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সব পত্র পত্রিকা খুলে দিয়েছিলেন, সকল রাজনৈতিক দল খুলে দিয়েছিলো। এমনকি জিয়া আওয়ামী বাকশালের গুহার মধ্যে ঢুকে গিয়েছিলো। সেই অন্ধকার থেকে আবারো নতুন করে এই আওয়ামী লীগ। এই কারণে আমরা বলি সব জিয়াউর রহমানের হাত দিয়ে তৈরি করা। এই কারণে আমরা জিয়াউর রহমানের নামে স্লোগান দিই।

তিনি আরো বলেন, আজকে যদি বিএনপি গণতন্ত্র হত্যাকারি হতো, আজকে যদি বিএনপি স্বাধীনতা যুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত না থাকতো, তাহলে আমাদের মনের মাঝে একটা সংশয় আর হতাশা থাকতো। আমরা হয়তো এই দল করতাম না। কিন্তু আমার নেতা একেবারে গর্তের মুখ থেকে উুদ্ধার। এত বড় গর্ব আমাদের। এই গর্ব আওয়ামী লীগের নেই। আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা যারা ইন্ডিয়া গিয়েছিলো থিয়েটার রোডে।কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের যে ফ্রন্ট, রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বলতে যেটা বুঝায় সেটাতো বিএনপির কৃতৃত্ব।এর চাইতে অহংকার আর কি হতে পারে। দেশের জন্য এর চাইতে গর্বের আর কি হতে পারে। এ জন্যই আজকে আমাদের ভালোবাসার মধ্যে, আমাদের রক্তে ধ্বমনীর মধ্যে জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রভাবিত হয় এটা শেখ হাসিনার খুন দিয়ে, শেখ হাসিনার গুম দিয়ে, শেখ হাসিনা বিচারবহির্ভৃত হত্যা দিয়ে, এটা শেখ হাসিনার মামলা আর হামলা দিয়ে শরীরের মাঝে জিয়াউর রহমানের যে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে সে রক্তকে আপনি কখনও স্থমিত করতে পারবেন না।

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে তিনি বলেন, আজকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, ভারত থেকে যে ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে সেটা প্রথমে ভিআইপিদের দেয়া হবে না। প্রথমে দেয়া হবে সাধারণ মানুষদের। কেন? গরিব কি গবেষণাগারের গিনিপি! ওদের আগে ভ্যাকসিন দিয়ে টেস্ট করবে মনে না বাঁচে।তারপর ভিআইপিরা নিবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগে করোনা টিকা নিয়েছেন। এবং ওখানকার স্বাস্থ্য ডিপারমেন্টের প্রধান ডা. পাউসি উনিও আগে নিয়েছেন। এটা হলো উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আর আপনারা ভিআইপিরা আগে নিবেন না! সাধারণ মানুষদের আগে নিতে হবে। কারণ ভারতে ভ্যাকসিন নিয়ে মারা গেছে কয়েকজন। ভ্যাকসিন আগে কাজ করবে কিনা এর যথার্থতাতো আগে পরীক্ষা করতে হবে। কারণ যে দেশটি ভ্যাকসিন দিচ্ছে তারা কিন্তু শুধু আপনাদেরকেই মনে করে। বাংলাদেশের আর কাউকে এরা বন্ধু মনে করে না।

কয়েকদিন আগে হাইকমিশনার বলেছে, বাংলাদেশে আমাদের একমাত্র বন্ধু হলো আওয়ামী লীগ। যারা আওয়ামী লীগকে বন্ধু মনে করছে, তারা যে ভ্যাকসিন উপহার দিচ্ছে ভিআইপিরা আগে নিবে না! ভিআইপি কারা? মন্ত্রীরা, এমপিরা, আমলারা, সচিবরা তারা আগে নিবে না! কৃষক, শ্রমিকদের আগে দিয়ে দেখবে এরা বাঁচে না মরে! যদি মরে যায় তাহলে আমরা আর ভিআইপির নিবো না। এই হচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য।

সরকারের ব্যর্থতা উল্লেখ করে এই নেতা আরো বলেন, আজ ১০ মাস হয়ে গেলো করোনার আক্রমণ। আমাদের হাসপাতালগুলোতে ভ্যান্টিলেটর নাই, অক্সিজেন নাই, আজকে বারান্দায় বারান্দায় নিরবে নিভৃতে সরকারের হিসাবের বাইরে কত লোক মারা গেছে তার কোন হিসাব নেই।বাংলাদেশের মাত্র ৩০% হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা আছে। করোনার এই ১০ মাস এত টাকা লোপটের কথা শুনলাম! এত দুর্নীতির কথা শুনলাম! কই হাসপাতাল ডেভোলপমেন্ট এর কথা তো শুনলাম না। স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মত তো কোন কাজ করলেন না, করোনা মোকাবিলার জন্য যে সমস্ত সরঞ্জাম দরকার তা কিনার জন্যতো কোন ভূমিকা আমরা দেখলাম না। শুধুমাত্র টিকা কিনার জন্য আপনার একেক সময় একেক কথা। স্বাস্থ্যসচিব বলে জি টু জি। এবং তাদের উপদেষ্ট অত্যান্ত বিতর্কিত ব্যক্তি লোক সালমান রহমানের কোম্পানি চুক্তি করেছে ভারতে সাথে। তাই এইযে ভ্যাকসিন তাতে আর যায় থাক আমাদের বড় সন্দেহ আছে তা করোনা মোকাবিলা করবে কিনা। করোনা ধ্বংস করবে কিনা এটা সন্দেহ রয়েছে। এটা নিয়ে কিন্তু সরকার স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না।

এই সরকার জনগণকে পাত্তা দেই না। জনগণের জীবন বাঁচুক আর মরুক দরকার নেই। তার অবোল ধবোল ক্ষমতা। আর অবোল ধবোল ক্ষমতার জন্য দেশের মানুষ মরুক তার কিছু যায় আসে না। দেশের মানুষ খাক আর না খাক আমার ক্ষমতা টিকে থাক। আর আমাকে যারা তোঁয়াস করবে তাদের নিয়ে ঝল্পনা।

তিনি বলেন, এই কারণে আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে জিয়াউর রহমানকে। যিনি স্বাধীনতাকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন, স্বাধীনতার স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই ছিলো তার প্রতিজ্ঞা। দেশের একজন রাষ্ট্রপতি কোদাল হাতে নিয়ে খাল কাটছেন! ব্যবসা বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য নানাধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি দূর্ভিক্ষে তৃণমূলের হাতে টাকা তুলে দিয়েছেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আব্দুস সালাম আজাদ, সহ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নাজিম মাস্টারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।