প্রবাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে কমিটি গঠন করছে বিএনপি

শনিবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

ঢাকা: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে দেশের বাইরেও আঞ্চলিক কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, বহির্বিশ্বে আমাদের জাতীয়তাবাদী শক্তির যারা প্রতিনিধি রয়েছেন, আমাদের দলের যেসব শাখা রয়েছে, সবাইকে নিয়ে আমরা আঞ্চলিক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে আঞ্চলিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকা থেকেও আঞ্চলিক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে সম্মাননা বিষয়ক উপকমিটির এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ১৩৬ সদস্যের যে জাতীয় কমিটি বিএনপি গঠন করেছে, তার আহ্বায়ক ড. মোশারর

সূবর্ন জয়ন্তী উদযাপন বিএনপি খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে আহবায়ক ও আবদুস সালামকে সদস্য সচিব করে ১৩৬ সদস্যে জাতীয় কমিটি, ৭ সদস্যের স্ট্যায়ারিং কমিটি, ১৫ টি বিষয়ভিত্তিক কমিটি ও ১০টি বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সকালে সন্মাননা বিষয়ক কমিটির সভা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই বিএনপির স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, এই দল মুক্তিযোদ্ধাদের দল। আমরা দাবি করি, আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের দল। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধারা এই দলে রয়েছেন।’

‘আমাদের দল এজন্য অত্যন্ত ভালোভাবে সূবর্ণ জয়ন্তী পালন করতে চায়।আমাদের সকলের একটা আবেগ যে, এই মুক্তিযুদ্ধ যারা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন, যারা প্রাণ দিয়েছেন, আমরা যে স্বাধীনতা চেয়েছিলাম সেই আকাংখা আমাদের পুরণ হয়েছে কিনা। এটা অবশ্যই ৫০ বছরে আমাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। যারা আমরা যুদ্ধ করেছি তাদেরই দায়িত্বটা এতোবেশিষ আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পরে ৫০ বছর পার হয়েছে। আমরা দেখেছি মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের আকাংখাকে নিয়ে এবং এই ৫০ বছরের আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার অনেক চেষ্টা চলছে।’

‘তাই আমাদের দায়িত্ব যারা আমরা যুদ্ধ করেছি, যুদ্ধে সহযোগিতা করেছি এখনো বেঁচে আছি আমাদেরই দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসটা তুলে ধরা, প্রকৃতটা জানিয়ে যাওয়া। সেজন্য আমরা সারা বছর প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে।’

সন্মনানা কমিটির আহবায়ক ব্যারিস্টার অবসরপ্রাপ্ত মেজর শাহজাহান ওমর বীরোত্তমের সভাপতিত্বে এই সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল জয়নাল আবেদীন, ‍মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের উপদেষ্টা শাহ মো. আবু জাফর, মুক্তিযোদ্ধা দলের হাজী হোসেন আহমেদ, একেএম কামরুজ্জামান, ইব্রাহিম খান, মহসিন সরকার, নুরুল আলম মিয়া, নান্নু মিয়া,, খন্দকার তৌহিদুর রহমান, শরীফ হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন নসু  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।