ধানের শীষের প্রোগ্রাম বানচালের ষড়যন্ত্র করা হলে ঘরে বসে থাকবে না: জাহাঙ্গীর

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধানের শীষের কোন প্রোগ্রাম বানচালের ষড়যন্ত্র করা হলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে বসে থাকবো না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা ১৮ আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ৯ নং সেক্টরে গণসংযোগ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, ওমর ফারুক শাফিন, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সরকার,ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম শ্রাবন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন,ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজাউল হক রিয়াজ, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভানেত্রী পিয়ারা মোস্তফাসহ বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই, ভোট কিসে, ধানের শীষে, মা বোনদের কক বলে যাই ধানের শীষে ভোট চাই ইত্যাদি স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে পুরো এলাকা।

এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঢাকা ১৮ আসামের জনগণ বিএনপির সাথে ছিল আছে এবং থাকবে। ১২ নভেম্বর সেটা প্রমাণ করে দিবে। ১২ তারিখ সবাই নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। আমাদের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রে থাকবেন। যতই রক্তচক্ষু থাকুক আমরা সেটা মোকাবেলা করবো।

১২ তারিখ সরকারের সকল অন্যায় অবিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের জবাব জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে। ধানের শীষ কে বিজয়ী করবে। তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি নির্ধারণ করি। কিন্তু প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ তারা সেখানে প্রোগ্রাম দিয়ে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি বানচালের চেষ্টা করছে।

আর যদি আমাদের কোন প্রোগ্রাম ষড়যন্ত্র করে বানচাল করার চেষ্টা করে তাহলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে বসে থাকবো না। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তাই করব। ধানের শীষের প্রার্থী বলেন, গণতন্ত্র ফেরত চাই, ধানের শীষে ভোট চাই। সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী মতের মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, নির্যাতন চলছে।

মা-বোনদের ইজ্জত ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। আমরা বলতে চাই কোন নারী নির্যাতনকারীর বাংলাদেশের হবে না। নারী নির্যাতনে সহতাকারী সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। হাজী সেলিমের ছেলে প্রশাসনের ওপর হামলা করেছে। যদি সরকার নীরব থাকে তাহলে তাদের ক্ষমতায় থাকার দরকার নেই।