করোনা-পরবর্তীতেও খাবারের সংকট মোকাবিলায় রয়েছে শস্যভাণ্ডার

রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২০

ঢাকা : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার পরও যথেষ্ট খাদ্যশস্য উদ্বৃত্ত থাকবে দেশের শস্যভাণ্ডার রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের জেলাগুলোতে। এক বছরের চাহিদা পূরণের পরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৪৫ লাখ টন খাদ্যশস্য। তবে সংকটকালে বাজার ও বণ্টনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

খাদ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের ৮টি জেলার মানুষের বার্ষিক খাদ্য চাহিদা ২৯ লাখ টন। কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, এই অঞ্চলের ১৩ লাখ হেক্টর জমিতে চাল ও গমের বার্ষিক উৎপাদন ৭৪ লাখ টনের বেশি। সে হিসাবে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ ৪৫ লাখ টন ছাড়িয়ে।

কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এবার বাড়তি উৎপাদন হয়েছে, তাই করোনার দ্বিতীয় আঘাত মোকাবিলায় খাদ্যসংকটের শঙ্কা নেই।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপপরিচালক ড. সরওয়ারুল হক বলেন, করোনা-পরবর্তীতে যেন খাবারের কোনও সংকট না দেখা দেয়; এ কারণে আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি।

জেলাগুলোর ৮৯টি সরকারি খাদ্যগুদামের মজুত পরিস্থিতি ১ লাখ ৭৭ হাজার টন, যা করোনা সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট বলে মনে করছেন খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির বিভাগীয় প্রধান।

ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. জাকির হোসেন বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ফলন বেশি হবে, তাই চিন্তার কিছু নেই।

তবে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বণ্টনব্যবস্থাকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন কৃষক নেতা ও বিশ্লেষকরা।

প্রথমবারের সংক্রমণে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার মাধ্যমে সরকার সাফল্যের সঙ্গে করোনা বিপর্যস্তদের সহায়তা করে।