এবার রাজশাহীতে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২০

রাজশাহী : রাজশাহীতে গির্জায় আদিবাসী কিশোরী ও ফাঁকা বাড়িতে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর এবার গৃহবধূকে ধর্ষণ করে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এমন অভিযোগে জেলার বাঘা থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।

জানা গেছে, প্রায় ২৫ বছর আগে উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিয়ে হয়। তাদের ঔরসজাত ২ কন্যা ও ১ ছেলে রয়েছে। তবে তাদের বিয়ের প্রায় ১১ বছর পর স্বামী জিল্লুর রহমান বিধবা এক নারিকে বিয়ে করেন। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের পর সংসার চালানোর তাগিদে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতেন ওই গৃহবধূ।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ জানান, দ্বিতীয় বিয়ের পর তার স্বামী জিল্লুর রহমান তাকে ঠিকভাবে দেখভাল না করায় বাড়ির পাশের মুদি দোকানদার বাদশা আলমের কাজকর্ম করে দিতেন তিনি। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুদি দোকানদার তার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ফলে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়েন তিনি। বাদশাকে বিয়ের কথা বললেও কর্ণপাত করেননি। এর মাঝে সময় প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে। অবশেষে আইনের আশ্রয় নিলেন তিনি।

গৃহবধূর স্বামী জিল্লুর রহমান জানান, এক বছর আগে থেকে প্রথম স্ত্রীকে আগের বাড়িতে রেখে পৃথক বাড়ি করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন তিনি। এর আগে একই ভিটায় পৃথক রুমে বসবাস করতেন। তবে পাঁচ দিন আগে বিষয়টি জানার পর প্রথম স্ত্রীকে তার বাবার বাড়ি নারায়নপুর গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এবিষয়ে বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, একজনকে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে। আসামীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গির্জায় এক কিশোরীকে তিনদিন আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে গির্জাটির ফাদার গ্রেপ্তার হন। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ফাঁকা বাড়িতে চাচাতো বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে একই উপজেলার এক যুবকের বিরুদ্ধে। তবে তিনি এখনো গ্রেপ্তার হননি। এরইমধ্যে এবার জেলার বাঘায় গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেল।