যেভাবে গ্রেফতার করা হলো শাহেদকে

বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২০

ঢাকা: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা জালিয়াতির অভিযোগে পলাতক রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ ওরফে শাহেদ করিমকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, যেকোনও সময় শাহেদকে গ্রেফতার করা হতে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঘড়ির কাঁটায় সময় তখন ভোর সোয়া ৫টা। সকালের আলোও ফোনেনি তেমনভাবে। দিনের শুরুতেই বহুল আলোচিত সেই শাহেদ গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করলো র‌্যাব।

পুলিশের এই এলিট বাহিনীটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, সাতক্ষীরা দেবহাটা থানার সীমান্তবর্তী কোমরপুর গ্রামের সাকড় বাজারের পাশে অবস্থিত লবঙ্গবতী নদী থেকে শাহেদ করিমকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার সঙ্গে অস্ত্র ছিল। তিনি বোরকা পরিহিত ছিলেন।

আশিক বিল্লাহ জানান, শাহেদ প্রতিবেশী দেশ ভারতে পাালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আর কিছুক্ষণ দেরি হলে হয়তো তাতে আরও পাওয়া যেতো না।

আশিক বিল্লাহ জানান, সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী স্থানীয় একজন কালোবাজারির মাধ্যমে ডিঙ্গি নৌকায় চেপে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন শাহেদ। ঠিক সেই সময় র‌্যাবের বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে।

বহুল বিতর্কিত ব্যবসায়ী শাহেদ সাতক্ষীরারই ছেলে। গত ৬ ও ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতাল এবং রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান দফতরে র‌্যাবের অভিযানের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি।