আ.লীগে লোভী-ষড়যন্ত্রকারীদের আর সুযোগ নেই: কাদের

সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০

ঢাকা : দলের ভিতরে বর্ণচোরা সেজে যারা অর্থসম্পদ বাড়ানোর চেষ্টা করে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীদের পেছনে রেখে আওয়ামী লীগে আশ্রয়ী, লোভী, ষড়যন্ত্রকারীদের আর সুযোগ নেই।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। এ বিষয়ে শেখ হাসিনা সরকার স্ব-প্রণোদিত হয়ে দুর্নীতি উদঘাটন করে এবং আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে আসছে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে ত্রাণ কার্যক্রম, স্বাস্থ্যখাতসহ যেখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি সেখানেই কঠোর অবস্থানে সরকার।

‘করোনার এই পরিস্থিতিতে জনগণকে বাঁচানোর লক্ষ্যে সর্বাত্মক কাজ করছে সরকার ও আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাদ দিয়ে ক্ষেত্রবিশেষ সীমিত করে জনগণের দুর্দশা কমানো, সংক্রমণ রোধ ও জীবীকার নিরাপত্তা বিধানকে রাজনীতি হিসেবে নিয়েছে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি অসহায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনার নামে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতাকাল উদযাপন করছে। তারা জনগণের দুর্দশা, অসহায়ত্ব চোখে দেখে না। বিএনপি সার্কাসের হাতির মতো নেতিবাচকতার বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া আর চিরাচরিত মিথ্যাচারকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নিয়েছে। জনগণ এখন আর তাদের মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত হয় না।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির মরিচা ধরা কৌশল আজ অপকৌশলে রূপ নিয়ে বুমেরাং হচ্ছে। দেশের মানুষ এখন দোষারোপের রাজনীতি পছন্দ করে না, অথচ বিএনপি এমন মিথ্যাচার করে যে তার জবাব না দিয়েও পারা যায় না।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন রাজনীতি হবে মানুষকে বাঁচানোর বৈশ্বিক সংকট করোনা প্রতিরোধ করা। বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য তারা নিজেরাই যথেষ্ট। তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্বে, তাদের মিথ্যাচার আর নেতিবাচক রাজনীতি বিএনপিকে জনগণের কাছে ক্রমেই অপ্রাসঙ্গিক করে তুলছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি (মির্জা ফখরুল) কথায় কথায় সরকারের মন্ত্রীদের পদত্যাগ দাবি করেন। আমি বলব আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বিএনপির শীর্ষ থেকে নিচ পর্যন্ত নেতৃত্বেকে পদত্যাগ করার উচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখছেন, আপনাদের সময়কালে এমন একটি উদহারণ দেখাতে পারবেন?