দেশ কত বড় ক্রাইসিসে পড়লে রিজার্ভে হাত দিতে চায়: মান্না

বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০

ঢাকা: সরকারের কাছে অর্থ নেই মন্তব্য করে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘এখন বড় ক্রাসিস হচ্ছে- এক কোটি থেকে আরও বেশি লোক বেশি দরিদ্র হয়ে গেছে, দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে। প্রতিদিন দৃশ্যমান ন্যুনতম ১০/২০ পরিবার ঢাকা থেকে বাইরে চলে যাচ্ছে। এদের সেইভ করা হবে কিভাবে? সরকারের কোনো প্ল্যান নেই।’

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, ‘গতকাল পত্রিকায় দেখেছেন যে, যেটাকে তারা (সরকার) বলেছেন সোশ্যাল সেফটিনেন্ট বা করোনাকালে আক্রান্ত মানুষগুলোর সহযোগিতার জন্য দেয়া হবে বিশেষ প্রণোদনা- এইগুলো দিয়ে বেতন-ভাতায় বাড়ানো হচ্ছে। সমস্ত ব্যাপারে মিথ্যাচার করতে করতে … ।’

তিনি বলেন, ‘ওই যে বলতো না- আকাশ দিয়ে উড়ে গেলে নিচে ঢাকার দিকে তাঁকালে লস অ্যাঞ্জেলসের মতো শহর মনে হয়।সব উন্মাদ কতগুলো ফরটোয়েন্টি ভদ্রলোক মন্ত্রী-টন্ত্রী হয়েছেন এবং উনারা একটার পর একটা কথা বলে ‍যাচ্ছেন। এখন দেখা যাচ্ছে- সরকারের কাছে কোনও টাকাই নেই্।’

মান্না বলেন, ‘সরকার টাকার জন্য কী করছে? প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন, দেখেন তো ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ থেকে নেয়া যায় কিনা। ক্যান ইউ ইমাজিন দেশ কত বড় ক্রাসিসে পড়লে ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভে হাত দিতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘আপনি এখান থেকে অনুমোদন দিয়েছেন হসপিটাল চালানোর জন্য, তাকে টেস্ট করতে দিয়েছে এই করোনা ভাইরাসের এবং তার ফিকস্ট করা লোকজন বাইরে গেছে, গিয়ে ধরা খেয়েছেন…। সারা দুনিয়াতে বদনাম হয়েছে।’

মান্না বলেন, ‘সেই লোকটা যে আওয়ামী লীগের একজন মদদপুষ্ঠ লোক, আওয়ামী লীগের উচ্ছিষ্ট লোক। আর সে রীতিমতো গানম্যানসহ পুলিশ প্রটেকশন নিয়ে পেতো। সরকার তাকে তৈরি করেছে। এরকম একটা দুইটা না। আপনার এন নাইটি ফাইভ যারা করেছে তারাও। মানুষের যখন মৃত্যুর আহজারি, ক্ষুধার্তের আর্তনাদ সেই সময়ে মানবতার সাথে এতো বড় বেইমানী করার দল পৃথিবীতে বেশি নাই।’

বিএনপি কমিউনিকেশন সেলের পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক জহির উদ্দিন স্বপনের পরিচালনায় ‘রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন আইন’ শীর্ষক আলোচনায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহামুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ, সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব আব্দুর রশীদ প্রমুখ।