যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিক নির্যাতন নিয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসকে প্রশ্ন করা উচিত: জয়

মঙ্গলবার, জুন ২, ২০২০

ঢাকা : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশি হামলার শিকার হয়েছে সাংবাদিকরাও। বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন তোলা যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিক নির্যাতন নিয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসকে প্রশ্ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ মন্তব্য করেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি খবর শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার বিচার চেয়ে চলমান আন্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর দেশটির পুলিশ প্রায় ৯০ বার হামলা চালিয়েছে। পুলিশ সরাসরি এক সাংবাদিককে রাবার বুলেট ছুড়ে মেরেছে। আর গণমাধ্যমের প্রতি সহিংসতা এসব ঘটনার জন্য ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসকে সাংবাদিকদের (গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে) প্রশ্ন করা উচিত।

গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনোপলিস শহরে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েড হত্যার ভিডিও প্রকাশ হয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ পুরো যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভের সংবাদ কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ৯০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তাদের কূটনীতিকদের মাধ্যমে বার্তা প্রেরণ করে আসছে। সম্প্রতি দেশটিতে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বিভিন্নভাবে বাধা দেয়ার বেশ কিছু ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো ব্যবস্থাপনা গ্রহণ না করায় দেশটির স্বপ্রণোদিত ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বার্তা’ প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বিশ্বজুড়ে।

জয়ের শেয়ার করা বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অসংখ্য সাংবাদিক বিক্ষোভের খবর কাভার করছে যুক্তরাষ্ট্রে। এদের অনেকেই দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট এবং মরিচ গুঁড়া নিক্ষেপের শিকার হন। নিজেদের সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র দেখানোর পরও পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়।

এ ধরনের হামলা (সাংবাদিকদের) ভয় দেখানোর একটি অগ্রহণযোগ্য প্রচেষ্টা বলে নিউইয়র্কভিত্তিক সাংবাদিকদের সুরক্ষা কমিটি মনে করে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সারা সপ্তাহজুড়ে কয়েক ডজন সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির প্রেস ফ্রিডম ট্রাকার নামে বেসরকারি একটি সংস্থা জানিয়েছে, গত তিন দিনে সাংবাদিকদের ওপর এমন ৯০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।