ক্রিকেটারদের টুপি-সোয়েটার আর রাখবেন না আম্পায়াররা

রবিবার, মে ২৪, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: একদিন সবকিছু স্বাভাবিক হবে। ক্রিকেট গড়াবে মাঠে। দর্শকে টইটুম্বুর হবে স্টেডিয়াম। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বদলে যাবে অনেক কিছু।

এতদিন ক্রিকেটমাঠে বোলার তার মাথার টুপিটা, চশমা কিংবা গায়ে থাকা সোয়েটার খুলে আম্পায়ারের হাতে রেখে বোলিং করতে যেতেন। এতদিন বিষয়টা ছিল খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই সাধারণ ব্যাপারটাই এখন আর দেখা যাবে না। এছাড়া ক্রিকেটারদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে- বল। কিছুদিন আগেই বলে থুতু লাগানো নিয়ম করে বন্ধ করা হয়েছে।

এবারে করোনা পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

বল ম্যানেজমেন্ট:

বলে লালা লাগানো যাবে না। আম্পায়ারদের গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। বল স্পর্শ করার পর কোনো ক্রিকেটার মুখ, চোখ ছুঁতে পারবেন না। বল ছোঁয়ার পর প্রতি ওভারের মাঝে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ক্রিকেটাররা তাদের সানগ্লাস, সোয়েটার, টুপি আম্পায়ারদের কাছে রাখতে পারবেন না।

সাধারণ সতর্কতা:

সাধারণ স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা মেনে চলতে হবে। হাঁচি, কাশির সময় কনুই ভাঁজ করে নাক-মুখ ঢাকতে হবে। অন্যের ব্যবহার করা বোতল, তোয়ালে, ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে ম্যাচের ভেন্যুতে একাধিক চেঞ্জিং রুম থাকা প্রয়োজন।

বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা

প্রতিটি দলের সঙ্গেই এবার নতুন একজন চিকিৎসককে থাকতে হবে। যার পদের নাম হতে যাচ্ছে ‘বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা’। তার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ভেন্যু এবং ক্রিকেটারদের বায়ো নিরাপত্তার বিষয়ে নজর রাখা। সরকারি নিয়ম নীতি ঠিকমত পালন করা হচ্ছে কিনা সেটাও দেখবেন তিনি।

আইসোলেশন:

দলগুলোর সঙ্গে চিকিৎসকদের একটি দল থাকবে। টুর্নামেন্ট বা সিরিজ শুরুর আগে ১৪ দিন ক্রিকেটারদের শারীরিক তাপমাত্রা, রিস্ক ফ্যাক্টর, ঘনঘন পরীক্ষা করবে ওই দল। ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফদেরও এরকম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেই চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলেই ক্রিকেটাররা মাঠে নামতে পারবেন।

ভ্রমণে সতর্কতা:

স্যানিটাইজড পরিবহন ছাড়া ক্রিকেটাররা ভ্রমণ করতে পারবেন না। বিদেশ সফর গেলে বাধ্যতামূলক প্রতিটি দলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। দুই ক্রিকেটারের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে চার্টার্ড ফ্লাইটে যেতে হবে। কোনোভাবেই ক্রিকেটাররা রুম শেয়ার করতে পারবেন না। যদি দলের কোনো সদস্যের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে, সেজন্য আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।