ঢাকায় কর্মরত গনমাধ্যম কর্মীদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন সাংবাদিক ইউসুফ আলী

রবিবার, মে ৩, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের প্রভাবে অঘোষিত লকডাউনে ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের পাশে দাড়িয়েছেন জেটিভি বাংলা ২৪-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আলী। ঢাকায় বিভিন্ন সংবাদপত্র/টিভি চ্যানেলে কর্মরত গনমাধ্যম কর্মী যাদের টানা কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে এবং অনেক সাংবাদিক চাকুরীচ্যুত হওয়ার ফলে করোনার প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে জীবিকা নির্বাহ করতে সাময়িক সংকটসৃষ্ট পরিবারের জন্য সাধ্যমত খাদ্য সহায়তাও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাছাড়া ৭১ টিভির ক্যামেরাপারসন পিয়াসের স্ত্রী সুচিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরন করায় তাকে খুব ব্যথিত করেছে। তাই ঢাকায় কর্মরত মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিক, তার পিতা-মাতা ও ছেলে-মেয়ে অসুস্থ্য হলে দেশের যেকোন স্থান থেকে নিজের গাড়িতে ঢাকায় এনে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করনে সহায়তা করছেন ইউসুফ আলী। এর পাশাপাশি সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়নের ঘরে ঘরে আটকে পড়া সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে অনন্য এ সেবামুলক কাজটিও চালু করেছেন, সিনিয়র সাংবাদিক ইউসুফ আলী। মরনঘাতি করোনার প্রাদুর্ভাব চলাকালীন সময়ে কোন ব্যক্তি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষনিক হাসপাতালে পৌছে দেয়ার মতো কঠিন কাজটি হাতে তুলে নিয়েছেন তিনি। সিনিয়র সাংবাদিক ইউসুফ আলীর সাথে সাধারন মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে তার এ ঘোষনা সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন ফেসবুক আইডিতে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে-

প্রিয় বারদীবাসী,

“আসসালামু আলাইকুম”।
করোনার কারনে ঘরবন্ধী হওয়া অনেক নারী-পুরুষ ও শিশু হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। করোনাতংকে কেউ রোগীকে হাসপাতালে নিতেও রাজী হচ্ছে না। এমতাবস্থায় কাউকে বিনা চিকিৎসায় যাতে মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিতে না হয় তাই করোনার প্রাদুর্ভাব চলাকালীন সময়ে বারদীবাসীর পাশে থাকতে চাই। বারদীর যেকোন বাসিন্দা যেকোন সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়লে দয়া করে আমাকে ফোন করবেন। ঝুঁকি থাকা সত্তে¡ও আপনাকে যাতে মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিতে না হয় তাই যেকোন সময় আমার গাড়িতে করে হাসপাতালে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। ০১৭০৭-০১৮০১৮, ০১৯৭০-০১৮০১৮। উপরোক্ত নম্বরে ফোন করলে সাংবাদিক ইউসুফ আলী নিজেই গাড়ি নিয়ে অসুস্থ্য ব্যক্তির বাড়িতে হাজির হবেন বলে জানান তিনি। এর আগে বারদীর বিভিন্ন গ্রামে ঘরবন্ধী মানুষের মাঝে একাধিকবার খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন জেটিভি বাংলা ২৪ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আলী। এছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের যাদের ঘরে খাবার নেই কিন্তু লাইনে দাড়িয়ে ত্রান আনতে লজ্জাবোধ করেন, তারা ইউসুফ আলীর মোবাইল ফোনে কিংবা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ফোন করলে বিষয়টি গোপন রেখে রাতের আধারে বাড়িতে সাধ্যমত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।