কাজল আগরওয়াল কে জেনে নিন

সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০

কাজল আগরওয়াল কে জেনে নিন

জন্মঃ ১৯ জুন ১৯৮৫
মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত
বাসস্থানঃ মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত
জাতীয়তাঃ ভারতীয়
নাগরিকত্বঃ ভারতীয়
শিক্ষাঃ বিএমএম
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ কে. সি. কলেজ
পেশাঃ অভিনেত্রী, মডেল
কার্যকালঃ ২০০৪-বর্তমান

যে জন্য পরিচিতঃ
মাগাধীরা (২০০৯)
ডার্লিং (২০১০)
বৃন্দাভানাম (২০১০)
মি. পারফেক্ট (২০১১)
উচ্চতাঃ ৫ ফু ৩ ইঞ্চি (১.৬০ মি)
ওজনঃ ৫৫ কিলোগ্রাম (১২১ পা)
পিতা-মাতাঃ
সুমন আগারওয়াল
বিনয় আগারওয়াল
আত্মীয়ঃ
নিশা আগরওয়াল (বোন)
পুরষ্কারঃ
সিনেমা পুরস্কার (২০১০, বৃন্দাভানাম) (২০১৩, ঠুপ্পাক্কি)
জি সিনে পুরস্কার (২০১১, সিংহাম)

কাজল আগরওয়ালঃ
একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তার সফল চলচ্চিত্র পেশার মাধ্যমে, তিনি দক্ষিণ ভারতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি কাজল মঞ্চ প্রদর্শনিতে অংশ নেন।
২০০৪ সালে, কিউ! হো গায়া না… চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউড চলচ্চিত্র শিল্পে এবং ২০০৭ সালে, লক্ষ্মী কালিয়ানাম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তেলুগু চলচ্চিত্র শিল্পে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তার প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য ছিলো চান্দামামা (২০০৭)। তবে তিনি জনপ্রিতা অর্জন করেন মূলত মাগাধীরা (২০০৯) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর, যা ছিলো তার অভিনীত সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য। এবং তিনি শ্রেষ্ঠ তেলুগু অভিনেত্রীর জন্যে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে মনোনীত হন। ডার্লিং (২০১০), বৃন্দাভানাম (২০১০), মি. পারফেক্ট (২০১১), বিজনেসম্যান (২০১২), নায়ক (২০১৩) এবং বাদশাহ (২০১৩) চলচ্চিত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে তিনি তেলুগু চলচ্চিত্রে নেতৃস্থানীয় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
তিনি তামিল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, নান মহান আল্লা (২০১০) তার উল্লেখযোগ্য কাজ। কিন্তু মাগাধীরা (২০০৯) চলচ্চিত্রের পর মাত্তারান (২০১২) এবং ঠুপ্পাক্কি (২০১২) তার দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় সাফল্য, যার মাধ্যমে তামিল চলচ্চিত্রে তিনি নেতৃস্থানীয় অভিনেত্রী হিসাবে আবির্ভূত হন। তিনি বলিউডে প্রত্যাবর্তন করেন সিংহাম (২০১১) চলচ্চিত্ররে মাধ্যমে, যা ছিলো ব্লকবাস্টার। যখন তার পরবর্তী চলচ্চিত্র স্পেশাল ২৬ (২০১৩) চলচ্চিত্র বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করে।

কর্মজীস্কার
প্রাথমিক কর্মজীবন (২০০৪-০৮)
কাজল বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় আত্মপ্রকাশ ঘটান ২০০৪ সালে কিউ! হো গায়া না… চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, যেখানে তিনি দিয়ার বন্ধু হিসেবে একটি ছোটখাট ভূমিকা প্রণয়ন করেন। এরপর তিনি পি. ভারতীরাজা পরিচালিত বোম্মালাত্তাম চলচ্চিত্রে অর্জুন সর্জার পাশাপাশি অভিনয় করেন। যা ২০০৮ সালে মুক্তি লাভ করে।
তিনি তেলুগু চলচ্চিত্র শিল্পে তার আত্মপ্রকাশ ঘটান ২০০৭ সালে, তেজা পরিচালিত লক্ষ্মী কালিয়ানাম চলচ্চিত্রে কল্যান রামের পাশাপাশি একটি প্রধান চরিত্র্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। যা বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখে নি। একইবছর তিনি কিষ্ণ ভামসি পরিচালিত চান্দামামা চলচ্চিত্র কাজ করেন, যা ইতিবাচক সমালোচনা অর্জনের মধ্য দিয়ে কাজলের প্রথম প্রধান সফল চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।

মাগাধীরা এবং তেলুগু তারকাখ্যাতি (২০০৯-১১)
কাজল আগরওয়াল এর সুপারহিট সিনেমা মাগাধীরা মুক্তি পায় ২০০৯ সালে, যেটি কাজল আগারওয়াল এর সবচাইতে ব্যবসা সফল ছবি বলা যায়। ২০০৯ সালে আগারওয়ালের মোট মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সংখ্যা ছিলো চার। প্রথমটি ছিলো বিনয় রাইয়ের বিপরীতে মোধি ভিলায়াধু যা মিশ্র সমালোচনা পেয়েছে এবং আর্থিকভাবেও অসফল হয়।

ঠুপ্পাক্কি এবং দক্ষিণের তারকাখ্যাতি (২০১২-বর্তমান)

ব্যক্তিগত জীবনঃ
চলচ্চিত্র ছাড়াও, কাজল আরও জনপ্রিয় বিপুল সংখ্যক ব্রান্ডের প্রচারণা করেন। চলচ্চিত্র কর্মজীবন শুরু করার আগে, তিনি একজন মডেল হিসেবে বিভিন্ন বাণিজ্যিক অভিনয় করেন। তিনি ব্র্যান্ড দূত হিসেবে সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগের প্রতিনিধিত্ব করেন। সৌন্দর্য সাবান প্রচারনায় ঐশ্বরিয়া রাই, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অসিন থত্তুমকালের পর কাজল লাক্সের জন্য ব্র্যান্ড দূত নির্বাচিত হন। তিনি দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি খুচরা ও অলঙ্কার দোকানের প্রচারণাও করেন, যেমন: হায়দ্রাবাদের আএস ব্রদার্স, পণ্ডীচেরিতে শ্রী লাক্ষী জুয়েলারি এবং সালেম, তামিলনাড়ুতে এভিআর।