করোনার ৪০টি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ দ্রুত এগুচ্ছে

শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: সহসাই পাওয়া যাচ্ছে না করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন, যদিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের অন্তত ৪০টি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

এর মধ্যে দুটি টিকা মানুষের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে বাজারে ভ্যাকসিন আসতে ন্যূনতম এক বছর সময় দরকার বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

গত মার্চ থেকেই মানব শরীরে দুটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলু প্রয়োগ শুরু করে চীনের ক্যান্সিনো বায়োলোজিক্যাল এবং মার্কিন কোম্পানি মডারনা। এছাড়া সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য দুটি ভ্যাকসিনের প্র ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা।

ভ্যাকসিন দুটি যৌথভাবে তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যাল। এনিয়ে অন্তত ৪০টি ভ্যাকসিন এখন প্রি ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে রয়েছে।

শুক্রবার করোনাভাইরাসের কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্রের পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তারা এর নাম দিয়েছে পিটকোভ্যাক। কয়েকমাসের মধ্যে মানব শরীরে এ ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়াল শুরু নিয়ে আশাবাদী গবেষকরা।

তবে করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের দীর্ঘসুত্রিতার কারণে নানা এন্টিভাইরাল ওষুধেরও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটন ও জর্জিয়াসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে নানা ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হচ্ছে।

এন্টিভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভার ছাড়াও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং কেভজারারও কার্যকারিতা দেখতে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে দেখছেন মার্কিন গবেষকরা। এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৪ জনের ওপর এগুলোর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এর ফল পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী গবেষকরা।

এছাড়া, চিকিৎসার পর যারা পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন তাদের রক্তের প্লাজমা নিয়ে অন্য আক্রান্তদের শরীরে ট্রান্সফিউশনের পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে আক্রান্তদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।