যে আটটি গুণ সম্পন্ন মানুষকে বিয়ে করবেন

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ইসলাম ধর্মে বিয়ে’কে ফরয করা হয়েছে। তবে অনেকেই তড়িঘড়ি করে অনেকটা সামনে পেছনে না ভেবে হুট করে বিয়ে করে থাকেন। পরবর্তিতে দেখা যায় দাম্পত্য জীবন খুব একটা সুখকর হয় না। ফলে বিয়ের সিদ্ধান্তটা খুব ভেবে চিন্তে নেয়া উচিত। তাই বিয়ে করার ক্ষেত্রে অন্তত ৮টি জিনিস মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

১। সততা ও বিশ্বস্ততা:
একজন সৎ মানুষ নির্লোভ, স্বার্থহীন, ভালো মানুষ হন। বিয়ের পরের জীবনে এই বিশ্বস্ততার প্রয়োজন অনেক বেশি। কারণ সম্পর্কের মূল ভিত্তিটাই নির্ভর করে বিশ্বস্ততার উপরে। তাই সঙ্গীর মধ্যে একজন সৎ এবং বিশ্বস্ত মানুষ দেখতে পান কিনা পরখ করে নিন।

২। আচার ব্যবহার:
নিজের পরিবারের সাথে ভালো সম্পর্ক মানুষকে তার আচরণ এবং স্বভাব দিয়ে যেভাবে বিচার করা যায় তেমনই তার পরিবারের সাথে সম্পর্ক কেমন তা দিয়ে বিচার করা যায় তিনি সম্পর্কে কেমন হবেন। তাই এই ব্যাপারেও নজর রাখুন।

যিনি পরিবারের সাথে ভালো সম্পর্কে আছেন তিনি সম্পর্কের মূল্য বুঝবেন।

৩। ব্যক্তিসত্তার মর্ম:
যে মানুষটি ব্যক্তিস্বত্বার মর্ম বোঝেন বিয়ে করলেই যে আরেকজনের উপরে অযথা এবং অযাচিত অধিকার খাটানো যায় না এই ব্যাপারটি যিনি বোঝেন তাকেই গুরুত্ব দিন। যিনি নিজের ব্যক্তিস্বত্বার মর্ম এবং অন্য মানুষটিরও যে একটি স্বত্বা রয়েছে বিষয়টি বোঝেন তার সাথে সম্পর্ক সুখের হবে।

পরিশ্রমী

৪। অনেক বেশি পরিশ্রমী কিংবা আলসে প্রকৃতির মানুষ নিয়ে বেশীদিন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যায় পড়ে গেলে হয়তো তিনি তার আলসেমির কারণে নিজেকে সমস্যা থেকে উদ্ধার করতে পারবেন না। তাই সব দিক বিবেচনা করুন।

৫। লক্ষ্য নির্দিষ্ট:
লক্ষ্যবিহীন মানুষ একটি ব্যাপারে নিজের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না। এইধরনের মানুষ থেকে সাবধান। কারণ হয়তো দেখা যাবে তিনি তার মনোযোগ আপনার দিক থেকেও তুলে নিতে পারেন। তাই এমন মানুষ খুঁজুন যার লক্ষ্য নির্দিষ্ট এবং যিনি জানেন জীবনে তিনি কি করতে চান।

৬। সম্মান করা:
নারী বা পুরুষকে সম্মান করার মনোভাব পুরুষ হিসেবে নারীকে এবং নারী হিসেবে পুরুষকে যদি সম্মান করার মনোভাব না থাকে তাহলে সে ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক সুখের হয় না। কারণ তারা নিজের স্বামী/স্ত্রীকে প্রাপ্য সম্মানটুকুই দিতে পারেন না।

৭। উন্নত মানসিকতা:
লক্ষ্য করে দেখুন তিনি কতোটা খোলা মানসিকতার মানুষ। কারণ ভালো মানসিকতার মানুষ না হয় তাহলে আপনার ব্যক্তিস্বাধীনতায় তিনি হস্তক্ষেপ করবেন এবং আপনার ওপর কারণে অকারনে সন্দেহের দৃষ্টি দেবেন।

৮। কিছুটা হলেও হাসিখুশি মেজাজের হওয়া:

যারা সত্যিকার অর্থেই একেবারে গম্ভীর তাদের সাথে সংসার করা এবং সময় কাটানো বেশ কঠিন। একটু মিষ্টি হাসি দিয়ে আপনাকে হয়তো অন্য কিছুর দুঃখ ভুলিয়ে দিতে পারবেন এমন মানুষ খুঁজে নিন।