ফেনীতে কারের ধাক্কায় অনাগত যমজ না ফেরার দেশে

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০

ফেনী : ফেনীর দাগনভূঞায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পৃথিবীর মুখ দেখতে পারল না অন্তঃসত্ত্বা নারীর অনাগত যমজ সন্তান। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন সিএনজিচালকও।

শুক্রবার রাতে ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের মুক্তার বাড়ির দরজায় সিএনজি ও প্রাইভেটকারের মুখামুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রোববার সকালে চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

অন্তঃসত্ত্বা ওই নারীর নাম ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা (২৪)। তিনি উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাছান গনিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী সাইফুল ইসলাম ফোরকানের স্ত্রী।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে হাছান গনিপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী সাইফুল ইসলাম ফোরকানের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা তার বাবা ও মাকে নিয়ে দাগনভূঞা ন্যাশনাল হাসপাতালে যান। ডাক্তার দেখিয়ে সিএনজিযোগে বাড়ি ফেরার পথে মহাসড়কের মুক্তার বাড়ির দরজায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি প্রাইভেটকার তাদের সিএনজিকে ধাক্কা দেয়।

এতে সিএনজিটি উল্টে যায়। এ সময় গুরুতর আহত হন সিএনজিচালক মজিবুল হক ও যাত্রী ফরিদা ইয়াছমিন টুম্পা তার বাবা-মা। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে ফেনী সদর হাসপাতাল হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

টুম্পার দেবর মোবারক উল্যাহ লিটন জানান, তার ভাবি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আল্ট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট অনুযায়ী ৩০ মার্চ যমজ মেয়ে সন্তান হওয়ার কথা ছিল তার। রোববার সকালে ডাক্তার জানান, গর্ভের ওই দুই সন্তান মারা গেছে। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজি চালকেরও মৃত্যু হয়েছে।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. আসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে।