মোস্তাফিজ টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত নয় : ডমিঙ্গো

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০

ক্রীড়া ডেস্ক: ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে মোস্তাফিজের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। সাদা পোশাকে বেশ রঙিন ছিলেন কাটার মাস্টার। প্রথম সাত ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি রাজ করতেই এসেছেন।

কিন্তু না, খুবই অল্প সময়ের মধ্যে দেখে ফেলেছেন মুদ্রার উল্টোপিঠও। এখন হারিয়ে খুঁজছেন নিজেকে। সাদা পোশাকে ফিজ পড়ে গেছেন বাতিলের খাতায়।

ভারতের বিপক্ষে স্কোয়াডে থাকলেও জায়গা হয়নি একাদশে। বাদ পড়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দল থেকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএলে) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আবারও জায়গা করে নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট স্কোয়াডে।

তবে স্কোয়াডে থাকলেও একাদশে থাকছেন না দ্য ফিজ। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেই দিয়েছেন টেস্টের জন্য প্রস্তুত নয় এই বাঁহাতি বোলার।

‘আমি মনে করি মোস্তাফিজ এখনো টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত নয়। তাকে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। আমাদের নতুন বোলিং কোচের সাথে যেন টেকনিক্যাল বিষয়ে কাজ করার জন্য সময় ব্যয় করতে পারেন,’ মোস্তাফিজকে স্কোয়াডে রাখার ব্যাখ্যা এভাবেই দিয়েছেন টাইগারদের প্রধান কোচ।

আগামীকালের ম্যাচকে সামনে রেখে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক ও প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

আজ শুক্রবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে মোস্তাফিজ প্রসঙ্গে বেশ খোলামেলাভাবে উত্তর দেন। সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন তাকে খেলানো হবে না।

তবুও কেন রাখা হয়েছে স্কোয়াডে? কোচ বলেন, ‘তাকে খেলানোর জন্য স্কোয়াডে ফেরানো হয়নি। তাকে ট্রেইন করা, একটা শেপে আনার জন্যই দলের সাথে রাখা। আমি মিডিয়াকে নিশ্চিত করে দিচ্ছি, মোস্তাফিজ খেলছে না। আগামী পাঁচ দিন সে দলের সাথে থেকে বোলিং নিয়ে কাজ করবে, কীভাবে টেস্ট ক্রিকেটে আবারও ফিরে আসা যায় এ নিয়ে। এই মুহূর্তে আমি বলছি সে টেস্ট খেলার অবস্থায় নেই, তাকে টেকনিক্যালি কিছু কাজ করতে হবে।’

মোস্তাফিজ টেস্ট ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত নয় বলে কোচ জানালেও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু অবশ্য বলেছিলেন ভিন্ন কথা।

ফিজকে দলে রাখার ব্যাখ্যায় নান্নু বলেছিলেন, ‘তাকে বিসিএলে ফর্মে দেখা গেছে। আগের রূপে ফিরছেন, তাই তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।’

মোস্তাফিজ সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটনে ২০১৯ সালের মার্চে। এখন পর্যন্ত ১৩ ম্যাচ খেলে ২৮ উইকেট নিয়েছেন। সর্বোচ্চ ৩৭ রান দিয়ে চার উইকেট। প্রথম সাত ম্যাচে ২০ উইকেট নিলেও পরের ছয় টেস্টে নিয়েছেন মাত্র ৮ উইকেট।

পাকিস্তান সিরিজে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া নতুন বোলিং কোচ গিবসনের সঙ্গে কাজ করার জন্য তাকে রাখা হয়েছে স্কোয়াডে।