ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারে ইশরাকের মা

সোমবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২০

ঢাকা : ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচার চালাচ্ছেন অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র মুক্তিযাদ্ধা প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার স্ত্রী ইসমত আরা। তাদের সন্তান ইশরাক হোসেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী।

সোমবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর নয়া পল্টনের পলওয়েল মার্কেট থেকে তার ছেলের জন্য নির্বাচনী গণসংযোগে বের হন। এ সময় বিভিন্ন দোকানে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।

প্রচারে নেমে জনসাধারণের কাছে ছেলের জন্য দোয়া ও ভোট চান। ইশরাকের মায়ের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।

এর আগে গণসংযোগের সতেরোতম দিনে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা থেকে প্রচার শুরু করেন দক্ষিণের বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। এ সময় সেখানে এক পথসভায় তিনি বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার কারণে গুলি খেতে হলে শাপলা চত্বরে বুক চিতিয়ে দেব। তবুও মানুষের অধিকার আদায়ের পথ থেকে সরে দাঁড়াব না।

তিনি বলেন, গত ১৩ বছরে ক্ষমতাসীনরা দেশের অর্থনৈতিক খাতকে ধ্বংস করেছে। শেয়ার মার্কেট থেকে সাধারণ মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে। মানুষ সর্বহারা হয়ে দিনের পর দিন আন্দোলন করছে এবং আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট থেকে সোনা চুরি করা হয়েছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। একটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সোনা চুরি হয়ে যায়, কত বড় দুর্নীতিবাজ, কত বড় ডাকাত হলে এটা সম্ভব! যারা সরকারি উচ্চপর্যায়ে রয়েছে তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, জনগণের আমানত লুট করা হয়েছে। এভাবে জনগণের কষ্টার্জিত টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে আর তারপরও আমরা নিশ্চুপ।

এই সরকারের সময় ঘনিয়ে এসেছে উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার জাতি। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশের স্বাধীনতা অর্জন করা হয়েছিল। আমরা কোনো তাঁবেদারি মানব না, কারও জমিদারি মানব না। এই দেশটা কারও পারিবারিক সম্পত্তি না। রক্ত দিয়ে যে দেশ স্বাধীন করেছি, প্রয়োজনে আবার রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এসএম জিলানী, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, সালাহউদ্দিন সরকার, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিলেন।