কোন মুখে কেমন সিঁথি করবেন?

শনিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের সবার মুখের আকৃতি এক নয়। কারো গোল মুখ, কারো লম্বাটে আবার কারো চৌকো। তবে সব আকৃতির মুখেই কিন্তু একই ধরনের সিঁথি মানায় না। তবে আমরা অনেকেই জানিনা কোন আকৃতির মুখে কোন সিঁথি করলে ভালো মানায়? তাই আজ চলুন এই বিষয়ে জেনে নেয়া

মুখের আকৃতি: গোল
সিঁথি হওয়া উচিত: মাঝখানে অথবা একদম ধারে
আপনার মুখ যদি গোল হয়, তা হলে তাতে ডাইমেনশন আনাটা চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। সাধারণত মাথার মাঝখানে সিঁথি করলে গোল মুখে একটা লম্বাটে আদল আসে। আবার একেবারে ধারে সিঁথি কাটলে চোয়ালের হাড় সামান্য উঁচু দেখায়, ফলে মুখে ডাইমেনশন আসে।কাজেই হয় মাঝখানে অথবা একদম ধারে সিঁথি কাটুন, মুখে সাজুয্য আসবে।

মুখের আকৃতি: চৌকো
সিঁথি হওয়া উচিত: মাঝখানে অথবা ধারে সাইডব্যাং সমেত
চৌকো মুখ যাঁদের, তাঁদের চোয়ালের দিকটা চওড়া হয়। তাই এমনভাবে হেয়ারস্টাইল করতে হবে যাতে মুখ একটু কম চৌকো দেখায়। ধারে সিঁথি কেটে চুলটা সাইডব্যাং করে রাখলে মুখের অ্যাঙ্গলগুলো অনেক কোমল দেখায়। মাঝে সিঁথি করলেও চিকবোন ডিফাইন হয়ে মুখ লম্বাটে লাগে।

মুখের আকৃতি: ডিম্বাকার
সিঁথি হওয়া উচিত: যেমন খুশি
যে সব মেয়ের মুখ ডিম্বাকৃতি, তাঁরা খুবই ভাগ্যবতী! যে কোনওরকম হেয়ারস্টাইল, যে কোনওরকম সিঁথি তাঁদের মুখে মানিয়ে যায়। আপনারও মুখের আকার ডিমের মতো হলে এক্সপেরিমেন্ট করতে ঘাবড়াবেন না!

মুখের আকৃতি: পানপাতার মতো
সিঁথি হওয়া উচিত: একদম ধারে
পানপাতার মতো মুখে গালের অংশটা সবচেয়ে চওড়া হয়, চিবুকের অংশটা হয় সূচলো। ফলে একদম ধারে সিঁথি করলে চিবুকের সূচলোভাবটা অনেকটা কোমল হয়ে যায়। তবে আপনার চুল যদি বেশ লম্বা হয়, তবে মাঝেও সিঁথি করতে পারেন।

মুখের আকৃতি: ডায়মন্ড
সিঁথি হওয়া উচিত: ধারে
ডায়মন্ড শেপের মুখে কপালের অংশটা সাধারণত ছোট হয়, ফলে ধারে সিঁথিই দেখতে সবচেয়ে ভালো লাগে। ধারে সিঁথি করলে চিকবোনের অংশেও একটা সুন্দর সাযুজ্য আসে। তবে চুলে সাইড ফ্রিঞ্জ করবেন না, পুরো চুলটাই সাইড পার্টিং করে ছেড়ে রাখুন।

মুখের আকৃতি: লম্বাটে
সিঁথি হওয়া উচিত: মাঝখানে, সঙ্গে ফ্রিঞ্জ থাকতে পারে
লম্বাটে মুখের দৈর্ঘ্য বেশি, প্রস্থ কম। ফলে মুখে একটা গোলভাব আনতে পারলে খুব সুন্দর দেখায়। তাই সিঁথি মাঝে করুন। সামনের দিকের চুলে অল্প ফ্রিঞ্জ রাখতে পারেন।