প্রেমের জন্য এই আপোসগুলো নয়

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২১, ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দীর্ঘ সম্পর্কে মাঝেমধ্যে নানা কারণে সমস্যা হতেই পারে৷ সাধারণত দু’জনে কথা বলেই সে সব সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া যায়৷ রিলেশনশিপ কাউন্সেলররাও দম্পতিদের যে কোনো সমস্যায় আলোচনা করার পরামর্শ দেন৷ কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছোনো গেলেও কিছু কিছু বিষয় নিয়ে কোনওমতেই আপোস করা ঠিক না। তেমনই কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হলো-

নিজের স্বপ্ন থেকে সরে আসা
যে কোনও সম্পর্কেই কখনও কখনও আপোস করার দরকার হয়। কিন্তু সেই আপোসের সঙ্গে যদি আপনার জীবনের লক্ষ্যের সরাসরি সংঘাত হয়? এ ক্ষেত্রে কিন্তু আপোস বা আলোচনার কোনও জায়গাই নেই। আপনার সঙ্গী যদি সত্যিই আপনাকে ভালোবাসেন, তিনি কিন্তু আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছোতে উৎসাহ দেবেন। আপনাকে লক্ষ্য থেকে সরিয়ে আনা তাঁর উদ্দেশ্য হতে পারে না।

বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক
প্রেমিক আপনার জীবনের একটা বড়ো অংশ জুড়ে থাকলেও তার জন্য আপনার বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের লোকজনদের অবহেলা করবেন না। এঁরা আপনার সাপোর্ট সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কাজেই একজনের জন্য অপরজনকে অবহেলা করা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়।

অসম্মান মেনে নেওয়া
প্রত্যেক দম্পতির মধ্যেই ঝগড়া হয়। কিন্তু অত্যন্ত তিক্ত ঝগড়ার পরিস্থিতিতেও সঙ্গীর প্রতি অসম্মানসূচক মন্তব্য করা ঠিক নয়। আপনার প্রেমিক যদি কথায় কথায় আপনাকে কটাক্ষ করেন বা সবার সামনেই অপমানকর মন্তব্য করেন, তা হলে এ সম্পর্কে আর না এগোনোই ভালো।

শারীরিক নিগ্রহ
শারীরিক নিগ্রহের মতো ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই কড়া অবস্থান নিতে হবে। এমনকী, প্রেমিক যদি পরে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাও চান, তা হলেও শারীরিক নিগ্রহ মেনে নেবেন না। এমনকী, গায়ে হাত না তুলেও অত্যাচার করা যায়। মানসিক নিগ্রহ শারীরিক বা যৌন নিগ্রহের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। সে সব ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবেন না।

নিজের বিশ্বাসের সঙ্গে আপোস
কোনওমতেই নয়। আমাদের প্রত্যেকেরই এমন কিছু আদর্শ বা নীতিগত অবস্থান থাকে, যা থেকে সরে আসা মানে নিজের স্বাধীন অস্তিত্বটাকেই অস্বীকার করা। মিথ্যে কথা না বলা, নিরামিষ খাওয়া থেকে শুরু করে ধর্মীয় ধারণা বা রাজনৈতিক চেতনাও এই আদর্শের অন্তর্গত হতে পারে। প্রেমিক কেন, কোনও কিছুর জন্যই নিজের আদর্শ হারিয়ে ফেলবেন না।

সূত্র : ফেমিনা