আমার সময়ে কাজে বিন্ধু মাত্র শিথিলতা দেখতে চাই না

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২০

আরিফ সুমন, বরিশাল ব্যুরো : মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ বলেছেন, যদি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এদেশে না হত তাহলে আমরা আপনারা এ স্বাধীন দেশ পেতাম কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যেত।

আজ জাতী সংঘ আমাদের বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানিয়ে তারাও মুজিব বর্ষ পালন করতে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন আমার সময়ে আপনাদের কোন কাজে আমি বিন্দু মাত্র শিথিলতা দেখতে চাই না তাহলে আমি বরদাস্ত করব না।

আপনারা যে যার দায়ীত্ব পালন করছেন তারা মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহন করে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

এসময় তিনি আরো বলেন আইন বিধি বিধানের মত কাজ করলে হবে না। আমরা প্রত্যেকটা টাকা হালাল করে নেব সেই সাথে আপনারা কাজের মাধ্যমে অর্থকে হালাল করে নেবেন।

যে ভাল কাজ করবেন তিনি থাকবেন নতুবা আমার সময়ে তিনি চলে যাবেন। তিনি এসময়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী আমাকে বরিশাল উন্নয়ন অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে বলেছেন।

আমি আপনাদের সমস্যার কথা শুনেছি আমার পক্ষে আপনাদের অবকাঠামো,যান-বাহন যে সমস্যা রয়েছে সে ব্যাপারে আমি কোন প্রতিশ্রুতি দেব না।

এসব সমস্যা পুরনে যতটুকু সম্ভব আমি তা পুরন করে দেয়ার কাজ করব।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ই) জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল সার্কিট হাউজ ধাঁনসিড়ি সভা কক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যতে বরিশাল বিভাগের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাদের উর্দেশ্যে তিনি একথাগুলো বলেন।

বরিশাল মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. নুরুল আলমের সঞ্চলনায় ও বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর আওতধীন জেলা পর্যায়ের অফিস প্রধানদের সাথে বরিশাল বিভাগীয় কার্যক্রম বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিশেষ অতিথি আরো বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আঃ জব্বার সিকদার।

মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন ও সমস্যা নিয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাণী সম্পদ উপ-পরিচালক কানাই লাল স্বন্যামত,মৎস্য উপ-পরিচালক মোঃ আজিজুর রহমান।

এসময় মৎস্য উপ-পরিচালক মোঃ আজিজুর রহমান সচিব রওনক মাহমুদকে অবহিত করে বলেন দেশে শতভাগ ইলিশ আহরনের মধ্যে একমাত্র বরিশাল বিভাগ থেকে ৬৬% পার্সেন্ট ইলিশ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

বর্তমানে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন রামনাবাদ এলাকায় ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারনে আমাদের এখানে ইলেশের প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাবার সম্ভবনা রয়েছে।

তাই ইলিশ সম্পদ রক্ষা করতে হলে চরমোন্তাজ এলাকার ঘাষির হাট এলাকার ১২ কিলোমিটার নদী খনন করার জন্য সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সেই সাথে ইলিশ সম্পদ রক্ষার অভিযানে তারা মৎস্য বিভাগকে আইনী ক্ষমতা দেয়র জন্য দাবী জানান। তিনি আরো বলেন এখানে জলাশয়ের অভাবে দেশীয় মৎস্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি কুয়াকাটাে এলোকায় একটি ল্যাব স্থাপনের দাবী জনান।

এসময় সচিব প্রাণী সম্পদ বিভাগের মাঠ প্রর্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের প্রাণী সম্পদ বৃদ্ধি ও লাভ জনক অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বের কাজ করার আহবানের পাশাপাশি তার দপ্তরে যোগাযোগ রাখারও আহবান জানান।