নিজেই তৈরি করুন রাতের ক্রিম

শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ত্বকের যত্ন নিতে উপযুক্ত ভালো সময় হলো রাত। আর এক্ষেত্রে চেহারার লাবণ্যতা ধরে রাখতে নাইট ক্রিমের ভূমিকা অপরিসীম। ঘুমানোর আগে ত্বক ভালো করে পরিষ্কার এবং ময়েশ্চারাইজার করা উচিৎ, কারণ এ সময়ে আপনি ত্বকে যা-ই প্রয়োগ করবেন সেটাই সারারাত ধরে ত্বক শোষণ করবে। রাতের বেলায় ত্বকে রাসায়নিক কোনও ক্রিম প্রয়োগ না করে বাসায় নিজ হাতে তৈরি করা মিশ্রন প্রয়োগ করাই শ্রেয়। আপনাদের সুবিধার্থে ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি এরকম কিছু নাইট ক্রিম তৈরির উপকরণ ও পদ্ধতি-

অলিভ অয়েল নাইট ক্রিম:

উপকরণ:
*১/২ কাপ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল নাইট ক্রিম।
*২ চামচ নারিকেল তেল।
*১ চামচ মোম।
*২টি ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল।

প্রস্তুত প্রণালী:
১)অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল এবং মোম একটি সস প্যানে অল্প জ্বালে গরম দিতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত ইহা না গলে।
২)ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল চূর্ণ করে সসপ্যানে ঢালুন। এবার এগুলু ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
৩)এবার এই ক্রিম একটি কৌটাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষন করুণ। আপনি এটা ২-৩ মাসের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
আরো পড়ুন:- সময় বাঁচাতে ভাপা পিঠার কেক

গ্লিসারিন ক্রিম:
উপকরণ:
*গোলাপের পানি।
*নারিকেল তেল।
*বাদামের তেল।
*গ্লিসারিন।

প্রস্তুত প্রণালী:
১)একটি ফোটানোর পাত্র নিন এবং এতে বাদাম এবং নারিকেলের তেল দিন। এখন সব উপকরণ সম্পূর্ণভাবে যাতে মিশে যাই সেজন্য এগুলোকে তাপ দিন।
২)ভালোভাবে মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে এর সাথে গোলাপের পানি এবং গ্লিসারিন যোগ করুণ।
৩)এবার একটি কৌটাই এই ক্রিম সংরক্ষণ করুণ এবং প্রতিদিন ঘমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুণ।

ব্রন প্রতিরোধী অ্যালভেরা নাইট ক্রিম:
উপকরণ:
*অ্যালভেরার নির্যাস।
*ল্যাভেন্ডার তেল।
*প্রাইমরস তেল।
প্রস্তুত প্রণালী:
১)ঘৃতকুমারী গাছ থেকে এর নির্যাস বের করুণ এবং এর সঙ্গে ল্যাভেন্ডার তেল মিশ্রিত করুণ।
২)এর সাথে এখন ১ চামচ প্রাইমরোজ যোগ করুণ এবং ভালোভাবে মেশান।
৩)এবার একটি পাত্রে সংরক্ষণ করুণ এবং প্রতিদিন ব্যবহার করুণ।

খাঁটি দুধের তৈরি ক্রিম:
উপকরন:
*দুধের ক্রিম।
*গোলাপ জল।
*অলিভ অয়েল।
*গ্লিসারিন।

প্রস্তুত প্রনালি:
১)সবগুল উপকরণ একসাথে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
২)ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো নাইট ক্রিম। এবার এটাকে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করুণ।

সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ হলো মুখের ত্বক। আর এই ত্বকে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার যত কম করা যায় ততই মঙ্গল।