ইসরায়েলকে অনুসরণ করছে ভারত?

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্যাপক বিক্ষোভের মুখেও ‘নাগরিকত্ব সংশোধন বিল-ক্যাব’ পাস করেছে ভারতের হিন্দ্যুত্ববাদী বিজেপি সরকার। বিরোধীসহ সাধারণ মানুষের তীব্র সমালোচনার মুখে। মুসলিমবিরোধী এই বিলকে কেন্দ্র করে অনেকেই ইসরাইয়েলের সঙ্গে ভারতকে তুলনা করছে।

বিশ্লেষকরা বলছে, দখলদ্বার ইসরাইয়ের পথ অনুসরণ করছে বন্ধু দেশ ভারত। ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার কেরে নিয়ে ইহুদিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় করছে ঠিক এইভাবে বিজেপি দেখাতে চায় ভারত হিন্দুদের জন্য একটা স্থায়ী নিরাপদ আশ্রয়।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) লোকসভায় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই- ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের (এমআইএম) সভাপতি ও হায়দরাবাদ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বিলের কপি ছিঁড়ে ফেলে হিটলার ও ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তুলনাও করেন।

এছাড়াও বিজেপি বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপি এমনভাবে বিলটিকে প্রচারে এনেছে, যাতে মনে হয় এই বিলের বিরোধিতাকারীমাত্রই হিন্দুদের বিরুদ্ধে। এই বিল যে ভারতের সংবিধান ও এতদিনকার রাষ্ট্রীয় চরিত্রেরও বিরুদ্ধে যাচ্ছে; সেটা তাই বিরোধী দলগুলো উচ্চকণ্ঠে তুলে ধরতে পারছে না এবং ভোটের ভয়ে তুলে ধরতে চাইছেও না। তবে কংগ্রেস লোকসভায় এই আইনে বিরোধিতা করছে। রাজ্যসভায়ও তারা এটাকে আটকাতে চাইবে।

এদিকে বিল পাস হওয়ার প্রতিবাদে আসামসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার লোকসভায় বিল পাসের একদিন পরই মঙ্গলবার সকাল থেকে ভারতের মুসলিম জনতা ও বিল বিরোধী সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে। আসামে বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে।

মুসলমানদের বাদ দেয়ায় এই বিলটিকে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ নীতির বিরোধী বলে সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলো। মুসলমান জনগোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার নীতির অংশ হিসেবেই পার্লামেন্টে বিলটি তোলা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, লোকসভায় যেহেতেু বিজেপির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, ফলে এই লোকসভায় (নিম্নকক্ষ) অনায়াসেই পাস হয়ে গেল। তবে রাজ্যসভায় (উচ্চকক্ষ) কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে পারে বিজেপি। কেননা, রাজ্যসভায় দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কিন্তু সেখানেও বিরোধী কিছু দল বিলের বিরুদ্ধে ওয়াকআউট করে কার্যত বিলটি পাসে বিজেপিকে পরোক্ষে সাহায্য করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব এসব হিসাব কষেই গুরুত্বপূর্ণ এই আইন পাল্টানোর কাজে হাত দিয়েছে নতুন করে।

ইসরায়েলকে অনুসরণ করছে ভারত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্যাপক বিক্ষোভের মুখেও ‘নাগরিকত্ব সংশোধন বিল-ক্যাব’ পাস করেছে ভারতের হিন্দ্যুত্ববাদী বিজেপি সরকার। বিরোধীসহ সাধারণ মানুষের তীব্র সমালোচনার মুখে। মুসলিমবিরোধী এই বিলকে কেন্দ্র করে অনেকেই ইসরাইয়েলের সঙ্গে ভারতকে তুলনা করছে।

বিশ্লেষকরা বলছে, দখলদ্বার ইসরাইয়ের পথ অনুসরণ করছে বন্ধু দেশ ভারত। ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার কেরে নিয়ে ইহুদিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় করছে ঠিক এইভাবে বিজেপি দেখাতে চায় ভারত হিন্দুদের জন্য একটা স্থায়ী নিরাপদ আশ্রয়।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) লোকসভায় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই- ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের (এমআইএম) সভাপতি ও হায়দরাবাদ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বিলের কপি ছিঁড়ে ফেলে হিটলার ও ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তুলনাও করেন।

এছাড়াও বিজেপি বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপি এমনভাবে বিলটিকে প্রচারে এনেছে, যাতে মনে হয় এই বিলের বিরোধিতাকারীমাত্রই হিন্দুদের বিরুদ্ধে। এই বিল যে ভারতের সংবিধান ও এতদিনকার রাষ্ট্রীয় চরিত্রেরও বিরুদ্ধে যাচ্ছে; সেটা তাই বিরোধী দলগুলো উচ্চকণ্ঠে তুলে ধরতে পারছে না এবং ভোটের ভয়ে তুলে ধরতে চাইছেও না। তবে কংগ্রেস লোকসভায় এই আইনে বিরোধিতা করছে। রাজ্যসভায়ও তারা এটাকে আটকাতে চাইবে।

এদিকে বিল পাস হওয়ার প্রতিবাদে আসামসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার লোকসভায় বিল পাসের একদিন পরই মঙ্গলবার সকাল থেকে ভারতের মুসলিম জনতা ও বিল বিরোধী সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে। আসামে বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে।

মুসলমানদের বাদ দেয়ায় এই বিলটিকে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ নীতির বিরোধী বলে সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলো। মুসলমান জনগোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার নীতির অংশ হিসেবেই পার্লামেন্টে বিলটি তোলা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, লোকসভায় যেহেতেু বিজেপির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, ফলে এই লোকসভায় (নিম্নকক্ষ) অনায়াসেই পাস হয়ে গেল। তবে রাজ্যসভায় (উচ্চকক্ষ) কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে পারে বিজেপি। কেননা, রাজ্যসভায় দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কিন্তু সেখানেও বিরোধী কিছু দল বিলের বিরুদ্ধে ওয়াকআউট করে কার্যত বিলটি পাসে বিজেপিকে পরোক্ষে সাহায্য করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব এসব হিসাব কষেই গুরুত্বপূর্ণ এই আইন পাল্টানোর কাজে হাত দিয়েছে নতুন করে।