চুম্বনের ধরন দেখে প্রেমিক নির্ণয়

শুক্রবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯

প্রেমের গভীরতা বোঝা যায় প্রেমিক প্রেমিকাকে কিভাবে চুমু খাচ্ছে। আর প্রেমের সম্পর্কে চুম্বন বেশ আঁশটে-পিষ্টেই জড়িয়ে রয়েছে। প্রেমিক-প্রেমিকা একে অন্যকে ঠিক কিভাবে চুম্বন করেন, তার ওপর নির্ভর করে জানা যায় সম্পর্কের গভীরতার ব্যাপারে। কারণ, প্রেমের সম্পর্কে চুম্বনের ইচ্ছা জাগার বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু শরীরের কোথায় চুম্বন করছেন, তার ওপর ভিক্তি করে বোঝা প্রেমের অনুভূতিটা কতটা গভীর।

এক প্রেম শুধু একে অপরকে দেখা কিংবা শারীরিক সম্পর্কে নয়। প্রেমের মধ্যে মিশে থাকে- স্নেহ, মমতা, শারীরিক আকর্ষণসহ নানা রকম অনুভূতি। যদি প্রেমের মধ্যে মানসিক যোগাযোগ কম আর শারীরিক আকর্ষণের মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে চুম্বন হবে এক রকম। আর যদি প্রেমের সম্পর্কে স্নেহের মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে চুম্বনের ধরন অনেকটাই ভিন্ন হয়। এক্ষেত্রে, প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্তে প্রেমিক ঠোঁট বাদ দিয়ে শরীরের কোন অঙ্গে চুম্বনে বেশি আগ্রহী, সেটা দেখেও বোঝা যায় প্রেমের ধরন কেমন। শরীরের বিশেষ পাঁচ জায়গা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো হলো- কপাল, গাল, নাক, নাভি বা কোমর ও হাতের উল্টো দিক। কপালে চুম্বন অত্যন্ত গভীর প্রেমের লক্ষণ। প্রেমিক যদি বারবার কপালে চুম্বন করে, তাহলে বুঝতে হবে তার অনুভূতি অত্যন্ত প্রবল এবং সম্পর্ক নিয়ে খুবই সিরিয়াস। আর বার বার গালে চুম্বন প্রবল সখ্যতার লক্ষণ। প্রেমে বন্ধুত্বের জায়গা খুব দৃঢ় হলে এরকম হয়। এই প্রবণতা আরো বলে দেয় যে, সম্পর্কে একে অন্যকে সুখি রাখতে চান। নাকে চুম্বনে জানা যায়, একে অপরের জন্য প্রবল স্নেহ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব রয়েছে। প্রেমিকার নাভি বা কোমরের কাছে চুম্বন যৌনতার প্রকাশ। যদি যৌনমিলন ছাড়াও অন্য সময়ে কোমরে বারবার চুম্বন করেন প্রেমিক, তাহলে বুঝতে হবে তিনি প্রেমিকার প্রতি শারীরিকভাবে অত্যন্ত আকৃষ্ট। আর হাতের উল্টো পিঠে চুম্বন পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে বেশি প্রচলিত। সেখানে এটি যে কোনো মেয়েকে সম্মান জানানোর ধরন। তা বাদ দিয়ে প্রেমের ক্ষেত্রে এর আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। প্রেমিকার হাতে এভাবে চুম্বনে গভীর সম্মানের প্রকাশ ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যারা কেবল নাভি বা কোমরে আকৃষ্ট, নারীদের উচিত তাদের ব্যাপারে আরেকবার ভেবে দেখা।