সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে জরিমানা: তথ্যমন্ত্রী

শুক্রবার, নভেম্বর ২২, ২০১৯

চট্টগ্রাম : তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলে উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও সার্ভিস প্রোভাইডার তথা ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে জরিমানার বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো, চরিত্রহনন ও গুজব প্রচার করা এখন বড় সমস্যা। এই সমস্যার মধ্যে বাংলাদেশও আছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে ‘বিশ্ব টেলিভিশন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। এ–সংক্রান্ত আইনও পাস হলে সম্প্রচারমাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। তারপরও সম্প্রচার নীতিমালা যেহেতু বিদ্যমান আছে, এই নীতিমালার আলোকে কীভাবে আইনি সুরক্ষা দেওয়া যায়, সেটি নিয়েও আমরা চিন্তাভাবনা করছি।
তিনি বলেন, ‘শিশু-কিশোরসহ আমাদের পুরো জনগোষ্ঠীর ওপর টেলিভিশনের প্রভাব ব্যাপক। যে মাধ্যমের এত বড় প্রভাব, সেটিকে আমরা জাতিগঠনের বিশাল কাজে লাগাতে পারি।’
টেলিভিশনে কর্মরত বেশির ভাগই মেধাবী বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিক ভাই-বোনদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। যাঁরা ওয়েজ বোর্ডের আওতাধীন প্রিন্ট মাধ্যমে কাজ করেন, তাঁদের জন্য আইনি সুরক্ষা আছে। কিন্তু টেলিভিশনের ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা এখন পর্যন্ত নেই। সরকার এ বিষয়ে কাজ করছে।’
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, টিভির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞাপন ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আগে ৪০০-৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যেত, যা বন্ধ করা হয়েছে। সম্প্রচারমাধ্যম পুরোপুরি ডিজিটালাইজড হলে বিদেশেও বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে। সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপনে কর আরোপের জন্য এনবিআরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।