টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে ডা.শামীমকে

বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯

জাহিন সিংহ, সাভার প্রতিনিধি : সম্প্রতি বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশ আলোচনা এসেছেন ডা.শামীম আহমেদ। যিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব।

‘বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের নির্বাহী সদস্য হিসেবে এখন জাতীয় এবং আন্তজাতিক পর্যায়ে পূর্ণবাসন স্বাস্থ্য বিষয়ে নীতি নির্ধারণসহ ভবিষ্যতে এমন পেশার মানুষদের স্বার্থ সুরক্ষায় নিবিড় ভাবে কাজ করে আসছেন তিনি।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোর,সময় টিভি,বাংলাটিভি,দেশ টিভি,এটিএন বাংলাসহ বিভিন্ন চ্যানেলে বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন টক শো’তে অংশ নিয়ে এখন আলোচনায় ডা.শামীম। বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় মুগ্ধ দর্শকরাও।

সততায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী,বিশ্বস্ততায় সেরা ও যোগ্যতায় অসামান্য এই মানুষটি জীবনের প্রতিটি পর্বেই নিজের যোগ্যতা আর মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলোতে পূর্ণবাসন স্বাস্থ্য বিষয়ে জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন ডা.শামীম।

পেশাগত জীবন সূচনা করেন প্রতিবন্ধীদের সেবায় নিবেদিত প্রাণ একজন অকুপেশনাল থেরিপিষ্ট হিসেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পক্ষাঘাতগ্রস্থদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) পরিচালিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশন্স ইনস্টিটিউট (বিএইচপিআই) থেকে ৫ বছর মেয়াদী বিএসসি-ইন অকুপেশনালথেরাপি কোর্স সাফল্যের সাথে উর্ত্তীণ শেষে প্রায় ছয় বছর আগে ডা. শামীমকে নিজের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন ঢাকা-১৯ এর সাংসদ ডা.এনামুর রহমান।

সেখানেও ডা.শামীম নিজের সততা আর মেধা পরিচয় দিয়ে প্রশংসা ও ভালোবাসা কুড়ান সকলের।

সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ডা.শামীম পরবর্তীতে যোগ দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে। সেখানেও নিজের সততা আর কৃতিত্বের সাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি।

ডা.শামীম জানান,দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের আন্দোলন ও সংগ্রামের ফসল হিসেবে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ থেরাপি এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল। আমাদের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে পাশ হয়েছে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন।

এছাড়া থেরাপী ও রিহ্যাবিলিটেশন স্বাস্থ্য পেশাজীবিদের নিবন্ধন ও যোগ্যতার মান নিয়ন্ত্রণ,শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান,পাঠ্যসূচী ও পাঠক্রম প্রণয়ন,পাঠক্রমের মেয়াদ নির্ধারণ এবং এই বিষয়ে স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিতকরণের উদ্দেশে এই আইনটি প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশে অটিজম বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

নিজের মেধা ও যোগ্যতার কারণে ডা.শামীম নিজেই এখন আইকন। হাজারো শিক্ষার্থীর কাছে এক অনুকরণীয় নাম। তার কাছে সেরা আদর্শ কে?

অকপটে হাস্যজ্জল কণ্ঠে বললেন – ডা.এনামুর রহমান। সততা আর সাদা মনের এই মানুষটিই আমাদের জীবনের গতি পাল্টে দিয়েছে। তিনি আমার শিক্ষক। আমার সততা,মূল্যবোধ-সবকিছুই শিখেছি এনাম স্যারের কাছে- যোগ করেন ডা.শামীম।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর ডা.এনামুর রহমান জানান, শামীম প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের যোগ্যতার সাক্ষর রেখে চলেছে। আমি গর্বিত শামীমের জন্যে। তিনি বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে আমাদের মুখ উজ্জল করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সাতজন বিশিষ্ট মানুষের মধ্যে শামীমের নাম থাকাটা নি:সন্দেহে আনন্দের। আমি শামীমের সাফল্য কামনা করি।