পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা ছাড়িয়েছে

শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

ঢাকা: রাজধানীসহ সারাদেশে ২৪০ থেকে ২৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ। কারওয়ানবাজার, খিলগাঁও, মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারে এ দামে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। ঢাকার বাইরে অন্যান্য জেলায়ও একই দামে পেঁয়াজ কেনাবেচা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। জরিমানা করার খবরও পাওয়া গেছে। এরপরও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
বরিশাল অফিস জানায়, জেলার খুচরা বাজারে ২৩০ টাকা এবং পাইকারি বাজারে ২০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। বাজার মনিটরিংয়ে নেমেছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পেঁয়াজের এমন দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতাদের। সরবরাহ না থাকায় দাম বেড়েছে বলে বরাবরের মতো খোঁড়া যুক্তি দিয়েছেন বিক্রেতারা। এদিকে বরিশালে আজই প্রথম তুরস্কের পেঁয়াজ এসেছে। এই পেঁয়াজ পাইকারি ১৬০ এবং খুচরা ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জানান, পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং চলছে।
পিরোজপুর অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার জেলা সদর পৌরবাজারের বিভিন্ন দোকানে ২০০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। দোকানিদের বক্তব্য যা আজ শুক্রবার ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায় পৌঁছাবে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সংবাদদাতা জানান, উপজেলার সর্বত্র প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ২১০ টাকা। যে পেঁয়াজ বৃহস্পতিবার সকালে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা, সেই পেঁয়াজই সন্ধ্যায় বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা থেকে ২১০ টাকায়।
ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, গতকাল উপজেলার খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। আগের দিন পাইকারি আড়তগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে।
পলাশ (নরসিংদী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে সারাদিন ২১০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হলেও মোবাইল কোর্ট আসার পর এ চিত্র পালটে ১৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়।
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম মাত্র এক রাতের ব্যবধানে ৮০ টাকা বেড়েছে, সামনে আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।