নেলপলিশ বেশি দিন ধরে রাখতে এই নিয়ম মানুন

সোমবার, নভেম্বর ১১, ২০১৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সাজতে কে না পছন্দ করে! এই সাজে আলাদা মাত্রা যোগ হয় যখন আঙুলে নেলপলিশের পরশ থাকে। একথা মনে রেখেই সৌন্দর্য সচেতনদের অনেকেই নখকে নানা রঙে রাঙ্গিয়ে থাকেন। কিন্তু যখন দেখা যায় নখের কিছু অংশে নেলপলিশ আছে, কিছু অংশে নেই তখন সাজের বারোটাও বেজেই, মনও খারাপ হয়ে যায়।

তাই নখ রাঙানোর আগে ও পরে কিছু টিপস মেনে চললে এ রকম সমস্যায় পড়তে হয় না। এবার নখ রাঙানোর টিপসগুলো জানা যাক…

ভিজে নখে রং লাগাবেন না
নেলপলিশ পড়ার আগে নখ খুব ভাল করে মুছে নিন। পুরনো শেড না থাকলেও রিমুভার দিয়ে নখ পরিষ্কার করুন। এতে নখের স্বাভাবিক তেল তেলে ভাব উঠে যাবে। এরপর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ভাল করে মুছে নিন। এবার আপনার প্রিয় রঙ দিয়ে নখ রঙিন করুন।

ভাল মানের নেলপলিশ কিনুন
অনেকে কুইক ড্রায়িং নেলপলিশ কেনেন। সে রকম না কেনাই ভাল। কারণ এই ধরনের নেলপলিশ শুকিয়ে গেলে দ্রুত উঠে যায়। তাই, ভাল ব্র্যান্ডের নেলপলিশ কিনুন। এগুলো যদিও শুকানোর জন্য একটু সময় বেশি নেয়। এই ধরনের নেলপলিশ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

প্রলেপ নিন যত্নের সঙ্গে
নখে নেলপলিশের প্রথম প্রলেপকে বলা হয় বেস কোট। এরপর আরও দু’বার বা তিনবার নেলপলিশ লাগানো যায়। তবে মনে রাখবেন প্রতিবার রঙের প্রলেপ লাগানোর পরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা ভাল। একটি প্রলেপ পুরো শুকিয়ে গেলে তবেই পরবর্তী প্রলেপ দিন। সবার শেষে দিন টপ কোট। এই আস্তরণে আপনার নেলপলিশ মসৃণ হবে। চট করে নখ থেকে উঠবেও না। যখনই নেলপলিশ পরবেন, সব সময় শুরু করুন নখের মাঝখান থেকে। তারপর পাশের অংশে রং লাগান।

নখের যত্ন নিন
শুধু রাঙালেই হবে না, নেলপলিশ পরা নখের যত্নও নিতে হবে। চেষ্টা করুন নখ ছোট রাখতে। বড় নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সমস্যা হয় কাজে। এছাড়া বড় নখ ভাঙার আশঙ্কাও থাকে। পায়ের তুলনায় হাতের আঙুলের নখ থেকে নেলপলিশ দ্রুত উঠে যায়। তাই কাপড় কাচা, বাসন মাজার মতো জলের কাজ করার সময় সম্ভব হলে গ্লাভস পরুন। তাতে চট করে নখ থেকে রং উঠবে না।

এতকিছুর পরেও যদি নেলপলিশের পরত উঠে যায়, তাহলে টাচ আপ করতে যাবেন না। কারণ টাচ আপ কখনওই আসল শেডের সঙ্গে মেলে না। তাই একবার নেলপলিশ উঠতে শুরু করলে রিমুভার দিয়ে পুরোটা তুলে নখ পরিষ্কার করে আবার রং লাগান। তবে হাত বা পায়ে লাগাতার নেলপলিশ লাগিয়ে রাখবেন না। মাঝে মাঝে নখকে বিশ্রাম দিবেন। তাতে নখ ভাল থাকবে।

তবে মনে রাখবেন, নেলপলিশের পুরোটাই কিন্তু বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি| যা স্বস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকারক।