‘বুলবুল’ মোকাবেলায় প্রস্তুত ২২৮ আশ্রয়কেন্দ্র

শনিবার, নভেম্বর ৯, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: দেড়শ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। পিরোজপুরসহ উপকূলবর্তী বেশ কিছু জেলায় ১০ নম্বর বিপদ সঙ্কেত জারি করা হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পিরোজপুর প্রশাসন। জেলা প্রশাসন এবং জেলা দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে ২২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলার ৭টি উপজেলায় ২২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলোতে এক লাখ ৭৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন। এসব আশ্রয়কেন্দ্রের ২০৬টি সরকারি ও ২২টি বেসরকারি। জেলায় মোট ৫১টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলা হাসপাতাল ও প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি টিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে সব ধরনের উদ্ধার কাজে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিলে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা আগের থাকলেও আরো ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ওই বরাদ্দ শনিবার পাওয়া যাবে। এ নিয়ে মোট ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া ২শ মেট্রিক টন চাল ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা থাকছে।

আমাদের প্রতিনিধি আরো জানাচ্ছেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পিরোজপুরে শুক্রবার সকাল থেকেই দেখা মেলেনি সূর্যের। পাশাপাশি হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। শনিবার সকাল থেকেই ঝড়ছে বৃষ্টি। ফলে রাস্তাঘাটেও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ৯ ও কক্সবাজার ৪ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. রুহল কুদ্দুস।

এছাড়া উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।